
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি এলাকা হতে অপহৃত কিশোরীকে রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে উদ্ধারসহ অপহরণপূর্বক ধর্ষন মামলার প্রধান আসামি নয়ন শেখ (২০)’কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)।
মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) র্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার
মো. আজাহার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আজাহার হোসেন বলেন,রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন কাঠালবাগান এলাকায় গতকাল অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী এলাকা হতে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করেছে র্যাব-৩। একই সঙ্গে অপহরণপূর্বক ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি নয়ন শেখ (২০)’কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন,গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে জানা যায় যে,অপহৃত ভিকটিম কিশোরী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এলাকার একটি স্থানীয় স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ১ জানুয়ারি সকাল ৯ টার পর ভিকটিম তার বাড়ি হতে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে কাশিয়ানী পলিটেকনিক স্কুল এন্ড কলেজের সামনে পৌছালে গ্রেফতারকৃত নয়ন তার অপরাপর সহযোগী মাহাবুব ও আরিফুলসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনের সহায়তায় ভিকটিমকে পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও ভিকটিম নিজ বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে ভিকটিমের সহপাঠীদের সাথে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে। তার সহপাঠীরা জানায় ভিকটিম ঐদিন স্কুলে যায়নি। এপ্রেক্ষিতে ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে খোজাখুজির জন্য বের হলে প্রত্যক্ষদর্শী একজন পথচারীর নিকট হতে অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে তারা নিশ্চিত হয় যে, ভিকটিমকে গেফতারকৃত নয়ন অপহরণ করেছে। পরদিন ভিকটিম সুযোগ বুঝে গ্রেফতারকৃত নয়নের মোবাইল ফোন দিয়ে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে এবং জানায় যে তাকে অপহরণপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় গ্রেফতারকৃত নয়ন এবং তার অপরাপর সহযোগী ও পলাতক আসামি মাহাবুব,আরিফুলসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করে।
এপ্রেক্ষিতে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতার করে জন্য র্যাব-৩। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৩ এর গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর এবং গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।
ডিআই/এসকে