
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২নং উত্তর চরবংশি ইউনিয়নে মাওলানা ছালেহ আহমদ ( আবু তাহের), নামে যে কাজী রয়েছে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কোন বিবাহ পড়ান না এমনকি তিনি কোন কাবিন ও লেখেননা বাবার পরিচয়ে ছেলে কাজীর যাবতীয় কার্যক্রম করেন বলে এমন অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া কাজীর পরিচয়দানকারী ছেলের নাম আব্দুর রহিম। তার কোন কাজীর সনদ নেই বলে জানা যায়।
তারাই সূত্র ধরে সঠিক প্রমাণের খোঁজে গত ৫ এপ্রিল ( শুক্রবার) বাদ আসর আবু তাহের এর কাজী অফিসে গিয়ে দেখা যায় একটি কাবিননামাতে কাজী আবু তাহেরের পরিবর্তে তার ছেলে আব্দুর রহীম নিজেকে কাজী পরিচয় দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারী সাংবাদিকের সামনেই আব্দুর রহীম নিজেই বর-কনের ও কাজীর স্বাক্ষর জাল দিয়ে কাবিন নামা লিখে দিয়ে কাবিন নামা নিতে আসা ব্যক্তির কাছে ৫ শত টাকা দাবী করেন। তখন তথ্য সংগ্রহকারী সংবাদকর্মী বাবার পরিবর্তে ছেলে কাবিনে স্বাক্ষর করতে পারেন কিনা? এবং কাবিনের পুরো টাকা বিবাহের সময় পরিশোধ করার পরও কোন টাকা নেওয়ার বা সরকারিভাবে ফি আছে কিনা জানতে চাওয়ায় বাবার পরিচয়ে ভুয়া কাজী আব্দুর রহীম তখন সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বলেন, যুগযুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে।
তথ্য সূত্র থেকে আরও জানা যায়, কাজী হতে হলে তাকে স্ব ইউনিয়নের ভোটার এবং একই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হয় কিন্তু কাজী মাওলানা ছালেহ আহমদ ওরপে ( আবু তাহের), ২নং ইউনিয়নের স্থায়ী কোন বাসিন্দা নয়। তিনি তার মেয়ের জামাইয়ের বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার করে কাজী হয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কোন বিবাহ পড়াননি। সেই সুযোগে বিবাহ পরানো থেকে শুরু করে কাবিন নামা লিখা পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রম তার ছেলে আব্দুর রহীমই করেন বলে অভিযোগ পাও গেছে।
বিষয়টি জেলা রেজিস্ট্রার কাজী অফিসে জানানো হলে, জেলা রেজিস্ট্রার কাজী অফিসের কর্তব্যরত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, প্রমাণ সাপেক্ষে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।