
ডেস্ক রিপোর্ট: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিজারের বিল পরিশোধ করতে না পারায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। পরে বিষয়টি নিয়ে ওই নবজাতকের পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উলিপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, উপজেলার মনারকুটি গ্রামের গোলাম হোসেনের স্ত্রী শিরিনা আক্তার সিজারের মাধ্যমে গত ২৩ মার্চ একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। স্বামী খোঁজ-খবর না নেয়ায় বাধ্য হয়ে সিজারের টাকা পরিশোধের জন্য গত ২৬ মার্চ একমাত্র সন্তান ওই নবজাতককে বিক্রি করে দেন তিনি। বিষয়টি তার স্বামী হাবিবুর রহমান জানতে পেরে বুধবার দুপুরে সন্তানকে ফিরে পেতে উলিপুর থানায় একটি অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে উলিপুর থানা পুলিশের একটি দল ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের রামশিং মুন্সিপাড়ার নিঃসন্তান সেলিনা বেগমের কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কের মাধ্যমে নবজাতকের প্রকৃত বাবা-মায়ের কাছে তাকে ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। এক লাখ টাকার বিনিময়ে নিঃসন্তান ওই দম্পতি শিশুটিকে কিনে নিয়েছিলেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়।
উলিপুর থানার ওসি গোলাম মর্তুজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘শিশুটিকে নিয়ে নেয়ার পর পারভিন বেগম কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। অন্যদিকে সন্তানকে ফিরে পেয়ে দারুণ আনন্দিত হাবিবুর রহমান ও তার আত্মীয়রা। তিনি আরও বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদ ছিল, সেটিও মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে।