
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া গ্রামের তেলনি পাড়ায় আদালতের আদেশ ও ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে প্রতিপক্ষের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে পারিবারিক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগে উঠেছে।এব্যাপারে আদালতে মামলা করে রাস্তা নির্মানে বাধা দেয়ায় এবং এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করায় সাবেক মেম্বার মো: বিল্লাল মিয়া ও আলাল আহম্মেদকে পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালিয়ে আহত করেছে।প্রতিপক্ষের লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় এবিষয়ে থানা পুলিশকে বার বার অবহিত করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। বর্তমানে মামলার বাদী মো: শফিক মিয়াসহ তার পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে।
এ ব্যাপারে আদালতে দায়ের করা মামলার বিবরণে জানাযায় উপজেলার তারুয়া মৌজার বিএস খতিয়ান ১০৭৯ দাগের ভুমিতে গত ১৯৮৯ সাল থেকে মো: শফিক মিয়া পৈত্রিক সূত্রে মালিক হিসাবে বসবাস করে আসছে।কিন্ত প্রতিপক্ষের একই গ্রামের প্রভাবশালী প্রতিবেশী শফিকুল মিয়া,মোঃ নাসির মিয়া,এনামুল হক মদন,হৃদয় মিয়া,সাহানা বেগম গংরা গত বছরের ১৮ নভেম্বর উল্ল্যেখিত ভুমির পাশ দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মানের পায়তারা করে আসছে। অবৈধ ভাবে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণ কাজে বাধা দিতে গেলে,ভুক্তভোগীদের উপর আক্রমন করতে আসে প্রভাবশালী এই ভুমিদস্যু মহলটি।নিরীহ এই পরিবারটি নিরুপায় হয়ে আদালতে আশ্রয় নিয়েও কোন ভাবে প্রতিকার পাচ্ছে না।গত সোমবার সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,ওই নালিশা ভুমির একপাশে.কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ করছে বিবাদীগণ।
এলাকবাসির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,ভুক্তভোগীদের কষ্ট থাকলেও মুখ খুলে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না ভুক্তভোগী মোঃ শফিক মিয়া ও তার পরিবারের লোকজনরা।আদালত থেকে একাধীকবার নিষেধাজ্ঞা ও ১৪৪ ধারা জারি করেও কোন ভাবে রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে পারছেনা।আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেও রহস্যজনক.কারণে নিরব ভুমিকা পালন করছে।এই সুযোগে প্রভাবশালী মহলটি পুকুর থেকে মাটি উঠিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ অব্যাহত রখেছে।সোমবার বিকালে এতে বাধা দেয়া হলে সাবেক মেম্বার মো: বিল্লাল মিয়া ও আলাল আহম্মেদকে পরিকল্পিত ভাবে যহামলা চালিয়ে আহত করে।এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ওসি নাহিদ আহম্মেদকে একাধিকবার তার মুঠোফোনে ফোন দিলেও সে রিসিভ করেননী।