
অধ্যক্ষ ডঃ শাহজাহান আলম সাজু বলেছেন, আগামী উপনির্বাচনে বিজয়ী হলে বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসকে পিছনে ফেলে নতুন আলোর পথ দেখাব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০২( সরাইল- আশুগঞ্জ) সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন আগামী ০৫ নভেম্বর। উক্ত নির্বাচনে অধ্যক্ষ ডঃশাহজাহান আলম সাজু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ছাড়াও উক্ত আসনে আরো চারজন প্রার্থী রয়েছে
নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন,বিগত ৫০ বছরে এ আসনে আমরা নৌকার প্রার্থী দেখিনী বা পাইনী। বিশেষ করে গত পরপর তিনটি নির্বাচনে নৌকার কোন প্রার্থীই ছিলনা বা দেওয়া হয়নী। যার জন্য এবার এ আসনে নৌকা দেওয়ার ফলে এলাকাবাসীর মনে উৎসাহ- উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আর এ কারনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছেন কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে,কখন পাচ তারিখ আসবে। বিশেষ করে যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আওয়ামী লীগের সমর্থক যারা। এত বছর নৌকা থেকে বঞ্চিত ছিল, তারা এখন তথা সব ঐক্যবদ্বভাবে নৌকার পক্ষে ভোটের মাঠে নেমেছে। আমাদের মাঝে কিছু মাত্র অভিমান ছিল। সব মান অভিমান ভুলে গিয়ে সবাই নৌকায় পক্ষে মাঠে নেমেছে। আশা করি আমি উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হব। পঞ্চাশ বছর পর আমি নেত্রীকে সেই নৌকাটি উপহার দিতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।
পঞ্চাশ বছর আমাদের দলীয় এমপি না থাকার ফলে আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নে ধ্বস নেমেছে। রাস্তাঘাটগুলোর বেহাল অবস্থা। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আশুগঞ্জকে পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ৭৩ সালে জমিও অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। আশুগঞ্জ সারকারখানা সে পেট্রোলিয়ামের একটি অংশ মাত্র। এ রকম আরো ছয়টি ফ্যাক্টরী হওয়ার কথা ছিল, যেটি আজও হয়নী। এ বিষয়ে আমাদের কোন সাংসদ নেত্রীকে জিজ্ঞেস করেনী যে পেট্রোকেমিক্যাল হওয়ার কথা ছিল তা হবে কিনা। কারন তাদের মাজায় জোর ছিলনা বুকে সাহস ছিলনা। তারা সাহস করে এ কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলতে পারেনী। তিনি সরাইলের আজবপুরের ২০০ বছরের নদীবন্দর ও পানিশ্বরের ঐতিহ্যবাহি বাজারের কথা উল্লেখ করে বলেন এগুলো ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে এখন নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। আমি এমপি নির্বাচিত হলে একটি বেরীবাধ নির্মান করব বলে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। যেটি হবে আশুগঞ্জ থেকে অরুয়াইল পাকশিমুল পর্যন্ত, যা প্রায় সাড়ে আট কিলোমিটার। যা হবে গভর্নমেন্ট মাল্টিপারপাস বাধ। এ বাধের ফলে নদী ভাঙ্গন রোধ হবে। বেড়িবাঁধে বড় হাইওয়ের মতো রাস্তা হবে। রাস্তার ভিতরে হাজার হাজার মেইল ফ্যাক্টরী থাকবে। ফলে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। দলীয় এমপি না থাকার ফলে আমরা ৫০ বছর পিছিয়ে আছি। আমি বিজয়ী হলে যে কোন ভাবেই হোক এলাকার সন্তানদের যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার বলে চাকরি দেওয়ার জন্য।
ফলে বেকারত্ব কমবে। পাশাপাশি আমাদের এলাকার টোটাল জীবন যাত্রাকে পরিবর্তন করে দিবে। ভাটি অঞ্চলের মানুষ গুলোকে নতুন জীবন দিবে। পুরো এলাকাটি একটা ইন্ড্রাষ্ট্রিয়াল জোন হয়ে যাবে। এতে করে জাতীয় অর্থনীতিতে যেমন ভুমিকা থাকবে ঠিক তেমনী এ এলাকার অর্থনৈতিক চেহারা বদল হয়ে যাবে। এ জন্য আমি আগামী
সরাইল আশুগঞ্জ বাসির কাছে দোয়া ও ভোট চাই। আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হলে স্মার্ট সরাইল -আশুগঞ্জ গড়ার যে স্বপ্ন সেটা বাস্তবায়িত হবে।
নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন,বিগত ৫০ বছরে এ আসনে আমরা নৌকার প্রার্থী দেখিনী বা পাইনী। বিশেষ করে গত পরপর তিনটি নির্বাচনে নৌকার কোন প্রার্থীই ছিলনা বা দেওয়া হয়নী। যার জন্য এবার এ আসনে নৌকা দেওয়ার ফলে এলাকাবাসীর মনে উৎসাহ- উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আর এ কারনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছেন কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে,কখন পাচ তারিখ আসবে। বিশেষ করে যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আওয়ামী লীগের সমর্থক যারা। এত বছর নৌকা থেকে বঞ্চিত ছিল, তারা এখন তথা সব ঐক্যবদ্বভাবে নৌকার পক্ষে ভোটের মাঠে নেমেছে। আমাদের মাঝে কিছু মাত্র অভিমান ছিল। সব মান অভিমান ভুলে গিয়ে সবাই নৌকায় পক্ষে মাঠে নেমেছে। আশা করি আমি উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হব। পঞ্চাশ বছর পর আমি নেত্রীকে সেই নৌকাটি উপহার দিতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।
পঞ্চাশ বছর আমাদের দলীয় এমপি না থাকার ফলে আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নে ধ্বস নেমেছে। রাস্তাঘাটগুলোর বেহাল অবস্থা। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আশুগঞ্জকে পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ৭৩ সালে জমিও অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। আশুগঞ্জ সারকারখানা সে পেট্রোলিয়ামের একটি অংশ মাত্র। এ রকম আরো ছয়টি ফ্যাক্টরী হওয়ার কথা ছিল, যেটি আজও হয়নী। এ বিষয়ে আমাদের কোন সাংসদ নেত্রীকে জিজ্ঞেস করেনী যে পেট্রোকেমিক্যাল হওয়ার কথা ছিল তা হবে কিনা। কারন তাদের মাজায় জোর ছিলনা বুকে সাহস ছিলনা। তারা সাহস করে এ কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলতে পারেনী। তিনি সরাইলের আজবপুরের ২০০ বছরের নদীবন্দর ও পানিশ্বরের ঐতিহ্যবাহি বাজারের কথা উল্লেখ করে বলেন এগুলো ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে এখন নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। আমি এমপি নির্বাচিত হলে একটি বেরীবাধ নির্মান করব বলে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। যেটি হবে আশুগঞ্জ থেকে অরুয়াইল পাকশিমুল পর্যন্ত, যা প্রায় সাড়ে আট কিলোমিটার। যা হবে গভর্নমেন্ট মাল্টিপারপাস বাধ। এ বাধের ফলে নদী ভাঙ্গন রোধ হবে। বেড়িবাঁধে বড় হাইওয়ের মতো রাস্তা হবে। রাস্তার ভিতরে হাজার হাজার মেইল ফ্যাক্টরী থাকবে। ফলে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। দলীয় এমপি না থাকার ফলে আমরা ৫০ বছর পিছিয়ে আছি। আমি বিজয়ী হলে যে কোন ভাবেই হোক এলাকার সন্তানদের যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার বলে চাকরি দেওয়ার জন্য।
ফলে বেকারত্ব কমবে। পাশাপাশি আমাদের এলাকার টোটাল জীবন যাত্রাকে পরিবর্তন করে দিবে। ভাটি অঞ্চলের মানুষ গুলোকে নতুন জীবন দিবে। পুরো এলাকাটি একটা ইন্ড্রাষ্ট্রিয়াল জোন হয়ে যাবে। এতে করে জাতীয় অর্থনীতিতে যেমন ভুমিকা থাকবে ঠিক তেমনী এ এলাকার অর্থনৈতিক চেহারা বদল হয়ে যাবে। এ জন্য আমি আগামী
সরাইল আশুগঞ্জ বাসির কাছে দোয়া ও ভোট চাই। আপনাদের ভোটে আমি নির্বাচিত হলে স্মার্ট সরাইল -আশুগঞ্জ গড়ার যে স্বপ্ন সেটা বাস্তবায়িত হবে।