
শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বাদাপাড়া গ্রামের একটি সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইফতারের আগমুহূর্তে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মিষ্টার নামে এক ব্যক্তিকে মারাক্তক ভাবে আহত করা হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তার কপাল থেকে মাথা পর্যন্ত ১২টি সেলাই দেয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশংকাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মিষ্টারের পরিবারের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি প্রতিহিংসাবশত প্রতিবেশী মজিবর গংরা রাস্তাটি কেটে ফেলার চেষ্টা করে। এসময় মিষ্টার আলী তাদের চলাচলের রাস্তাটি কাটাকাটি না করার জন্য বাধা প্রদান করলে মজিবর গংদের হাতে থাকা কোদাল ও শাবল দিয়ে এলোপাথারি ভাবে কৃপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে রাস্তা ফেলে রাখে।
একপর্যায়ে মিষ্টারের বাবা অবিতুল্লাহ বাড়ী থেকে বের হয়ে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত মিষ্টারকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে শনিবার মিষ্টারের অবস্থা আশংখ্যাজনক হওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার এসআই নাঈম সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।