
দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের শিমনা গ্রামে এক কৃষকের ৩ বিঘা জমির বোরো ধান গাছে প্রতিপক্ষরা আগাছা নাশক কীটনাশক বিষ স্প্রে করায় ধান গাছের পাতা পুড়ে ধান খেত বিনষ্ট হয়েছে। এতে ঐ কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন।
অভিযোগে প্রকাশ, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার শিমনা গ্রামের নজমল হকের ছেলে নোমানুর রহমান নিজের সামান্য জমি আবাদ করে পরিবার চালান। একই গ্রামের ফুলচাঁনের ছেলে সোবাহান, সোবাহানের দুই ছেলে সাইদুল ও সলেমান দীর্ঘদিন থেকে নোমানুর রহমানের ভোগ দখলীয় জমি জোর পূর্বক জবর দখলের চেষ্টা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিপক্ষরা ইতিপূর্বেও নোমানুর রহমানের জমির ধান বিগত ৪ মৌসুমেও বিষাক্ত আগাছা নাশক কীটনাশক স্প্রে করে সমুলে বিনষ্ট করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক নোমানুর রহমানের আবাদি ফসল নষ্ট হওয়ায় তাঁর পরিবার নিয়ে মানবেতর ভাবে দিনাতিপাত করছেন। তিনি অনেক কষ্টে এবার অন্য ৩ বিঘা জমিতে ২৯ জাতের বোরো ধানের চারা রোপন করেন। সেই চারা পুষ্টতা পেয়ে শীষ আসার আগ মুহুর্তে গত ২৭ মার্চ রাতে প্রতিপক্ষরা আরো কয়েকজনকে সাথে নিয়ে বোরো ধান খেতে বিষাক্ত আগাছা নাশক কীটনাশক স্প্রে করে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একই গ্রামের আমিনুর রহমান ধান খেতে কীটনাশক বিষ প্রয়োগ করতে দেখে সোবাহান ও তার ছেলে-নাতিদের নিষেধ করলে তাকেই উল্টো হুমকি ধামকি দিয়ে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যায়। পরদিন দুপুর হতেই ধানের সব গাছ মরে গিয়ে হলুদ ফ্যাকাশে বর্ণ ধারণ করেছে।
কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়ায় পরিবারের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কৃষক নোমানুর রহমান শোক-দুঃখে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। জমির ফসল ধ্বংসকারী চিহ্নিত দুর্বৃত্তদের শাস্তির দাবিতে তিনি ৫ জন আসামির নাম উল্লেখ করে ২৯ মার্চ রাতে নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম জানান, জমির বোরো খেত নষ্ট করে দুবর্ৃত্তরা অমানবিক কাজ করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।