
দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে এক পা বিশিষ্ট এক শিশুর জন্ম হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে একনজর দেখতে ক্লিনিকে উৎসুক জনতার ভিড় জমাচ্ছে।
বুধবার (২৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিরামপুর পৌর শহরের মর্ডাণ ক্লিনিকে তাসলিমা আক্তার (২৫) নামে এক প্রসূতি ঐ শিশুর জন্ম দেন।
জানা যায়, দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখরিয়া গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে মাহাফুজুল ইসলামের সঙ্গে ২০১৪ইং সালে একই এলাকার তোকছেদ আলীর মেয়ে তাসলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের সংসার আলো করে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের আগমন ঘটে। সম্প্রতি তসলিমা আবারো গর্ভবতী হন । পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গর্ভে জমজ সন্তানের বিষয়টি নিশ্চিত হলে পারিবারিকভাবে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রসব বেদনা উঠলে তাসলিমা আক্তারকে নবাবগঞ্জ উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিরামপুর উপজেলার মর্ডাণ ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। বুধবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাঁর সিজার কার্য সম্পন্ন করেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাহেরা খাতুন লাভলী। তবে প্রথমটি মেয়ে সন্তান হলেও দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের সময় ঘটে আচার্য ঘটনা। জন্ম হয় এক পা বিশিষ্ট সন্তানের। প্রাথমিকভাবে ঐ শিশু সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণও করতে পারেনি চিকিৎসক। এ ঘটনার পর প্রসূতি মাসহ সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া দুই শিশুই সুস্থ রয়েছে।
ঐ শিশুর বাবা মাহিফুজুল ইসলাম বলেন, আমি একজন ভ্যানচালক। যমজ সন্তানের বিষয়টি জানার পর থেকেই আমার স্ত্রী চিন্তিত ছিলেন।তাই সিজারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু, এক পা বিশিষ্ট যে সন্তান বাচ্চা হয়েছে আমাদের তা আচার্যের বিষয়।
এবিষয়ে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাহেরা খাতুন লাভলী বলেন, সবই আল্লাহর লীলা খেলা। বর্তমানে মা ও শিশু উভয়ই সুস্থ আছেন। এক পা বিশিষ্ট বাচ্চাটির মল-মুত্র ত্যাগের রাস্তা নাই।তবে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।