ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পিবিআইয়ের তিন পুলিশ সুপারকে রদবদল
পটুয়াখালীতে সড়ক দূর্ঘটনায় আনসার কমান্ডার নিহত
পাঁচবিবিতে আওলাই ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
আত্রাইয়ের কচুয়া মধ্যপাড়া ইসলামীক সম্মেলন
মিরসরাইয়ে পাঁচ বছরেও উদঘাটন হয়নি গৃহবধূ মুন্নী হ*ত্যার রহস্য , ক্ষুদ্ধ ভুক্তভোগী পরিবার
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথা সম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে :অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কৃষকদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলন ও সাংস্কৃতি সন্ধ্যা 
নওগাঁয় মাটিবাহি ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুর মৃত্যু
ভূরুঙ্গামারী ফাযিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রদের ঈদ পূর্ণমিলনী
কুয়াকাটা সৈকত দখল করে ঝুকিপূর্ণ মার্কেট নির্মানের অভিযোগ
কুড়িগ্রামে ২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কেমন কুড়িগ্রাম দেখতে চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভা
বোদায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
সরাইলে অভিযানে ৩ হত্যা মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ৯
বাগমারায় চুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু:ঘাতকে পিটিয়ে হত্যা করলো উত্তেজিত জনতা
নড়াইলে বিএনপি নেতা সান্টুর উপর ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

মদনে যুবতিকে শ্বাসরোধে হত্যা

নেত্রকোনার মদনে মনা আক্তার (১৬) নামে এক যুবতিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তার মায়ের অভিযোগ। সোমবার বিকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ছত্রকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত মনা আক্তার ফতেপুর ছত্রকোনা গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত মনা আক্তারের বাবা ও ভাই ঢাকায় ব্যবসা করেন। বাড়িতে সে ও তার মা মিনা আক্তার বসবাস করতেন। সোমবার মনাকে রেখে মা ফতেপুর হাটশিরা বাজারে যায়। বাজার থেকে এসে বাড়ি নিরব থাকায় মেয়েকে ডাকাডাকি করতে থাকে। এ সময় নাঈম ঘর থেকে বের হয়ে দৌড় শুরু করে। ঘরের ভেতর ঢুকে তার মেয়েকে বিছানায় শুয়া অবস্থায় দেখে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় ডাক চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে মনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে সোমবার রাতে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতের মা মিনা আক্তার জানান, নাঈম আমার বোনের মেয়ের জামাই। এই সুবাধে প্রায়ই সে বাড়িতে আসা যাওয়া করত। তার চলা ফেরা সন্দেহজনক হওয়ায় বাড়িতে আসতে তাকে নিষেধ করি। সে নিষেধ অমান্য করে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে বাড়িতে আসতে থাকে। আমার মেয়ের বিয়ে ঠিক করলে সে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। এ ব্যাপারে তার বাবা বাবুলকে জানালে সেও ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদেরকে নানা রকম হুমকি দেয়। সোমবার মেয়েকে রেখে বাজারে যাই। বাড়িতে আসতেই নাঈম ঘর থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘরে ঢুকে মেয়ের মৃত দেহ পাই। তার গলায় ও মুখে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। নাঈমই আমার মেয়েকে হত্যা করেছে।

ওসি উজ্জ্বল কান্তি সরকার জানান, যুবতি মনার মৃত্যুর খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি রহস্য জনক। তাই রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুনঃ