
রাজশাহীর তানোরে ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা দিয়ে আলু নিতে এসে প্রতারনার স্বীকার মুন্সিগঞ্জের বেপারী তানোর থানায় অভিযোগ করেও টাকা ফেরৎ পাননি। প্রতারক চক্র থানায় উপস্থিত না হওয়ায় টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
গত শুক্রবার বিষয়টি সুরাহার জন্য উভয় পক্ষকেই তানোর থানায় ডেকেছিলেন পুলিশ। কিন্তু প্রতারক চক্র থানায় উপস্থিত হননি। ফলে, আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে প্রতারনার স্বীকার মুন্সীগঞ্জের বেপারী। মুন্সিগঞ্জের ব্যাপারে জানিয়েছেন আইন অনুযায়ী তারা নিজ এলাকার আদালতে মামলা দায়ের করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ই মার্চ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে দর্গাডাঙ্গা বাজারে অভিযোগকারীর শ্যালক মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার মুটকপুর গ্রামের তফিজ উদ্দিনের পুত্র সুমন ডালির মাধ্যমে ২৮ টন আলুর দাম ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা মিটিয়ে বায়না স্বরুপ ওই দিন বিকালে তানোর উপজেলা রায়তান আকচা গ্রামের রহেদ আলী পুত্র রনি সোনার (৩৪) এর ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের হিসাব নাম্বার ৭০১৭৫১৫৫৫৯১৫৩০ একান্টে ২ লাখ ৭ হাজার ৫ শ’ টাকা বায়না দেন।
পরদিন শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে রনির ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের ওই হিসাব নাম্বার বাকি ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৫শ’ টাকা প্রদান করে ওইদিনই বিকালে আলু নিতে তানোরে আসলে অভিযুক্তরা আলুর জমিতে নিয়ে গিয়ে আলু দেখায়। শ্রমিক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০ টার পর রনি সোনার আমির ডালিকে আলু দেয়া যাবেনা জানিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে কেটে পড়েন।
এঘটনায় গত রোববার রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলার টুংগীবাড়ি উপজেলার নয়নন্দ গ্রামের মৃত কাদের ডালিম পুত্র আমির হোসেন ডালি বাদি হয়ে তানোর উপজেলা রায়তান আকচা গ্রামের রহেদ আলী পুত্র রনি সোনার (৩৪), একই গ্রামের মৃত মহির উদ্দীন সোনারের পুত্র সামসুদ্দীন প্রামনিক (৫২) একই গ্রামের মৃত বদের উদ্দীনের পুত্র মোহাম্মদ হক (৬০), ভদ্রখন্ড গ্রামের মৃত ভুলু মন্ডলের পুত্র সাজন (৪৭) ও একই গ্রামের জুনাপ আলীর পুত্র আব্দুল মালেক (৪২) ‘র বিরুদ্ধে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছিলো বিষয়টি সমাধানের জন্য। কিন্তু প্রতারক চক্র হাজির না হওয়া মুন্সিগঞ্জের ব্যাপারে তার নিজের এলাকায় থানায় মামলা করার কথা বলে চলে গেছেন।