
রাজশাহীর তানোরে ৭ লাখ টাকা দিয়ে আলু নিতে এসে প্রতারনার স্বীকার হয়েছেন মুন্সিগঞ্জের এক আলুর বেপারী।
এঘটনায় গত রোববার রাতে মুন্সিগঞ্জ জেলার টুংগীবাড়ি উপজেলার নয়নন্দ গ্রামের মৃত কাদের ডালিম পুত্র আমির হোসেন ডালি বাদি হয়ে তানোর উপজেলা রায়তান আকচা গ্রামের রহেদ আলী পুত্র রনি সোনার (৩৪), একই গ্রামের মৃত মহির উদ্দীন সোনারের পুত্র সামসুদ্দীন প্রামনিক (৫২) একই গ্রামের মৃত বদের উদ্দীনের পুত্র মোহাম্মদ হক (৬০), ভদ্রখন্ড গ্রামের মৃত ভুলু মন্ডলের পুত্র সাজন (৪৭) ও একই গ্রামের জুনাপ আলীর পুত্র আব্দুল মালেক (৪২) ‘র বিরুদ্ধে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত ১৫ই মার্চ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে দর্গাডাঙ্গা বাজারে অভিযোগকারীর শ্যালক মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার মুটকপুর গ্রামের তফিজ উদ্দিনের পুত্র সুমন ডালির মাধ্যমে ২৮ টন আলুর দাম ৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা মিটিয়ে বায়না স্বরুপ ওই দিন বিকালে রনির ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের হিসাব নাম্বার ৭০১৭৫১৫৫৫৯১৫৩০ একান্টে ২ লাখ ৭ হাজার ৫ শ’ টাকা বায়না দেন।
পরদিন শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে রনির ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের ওই হিসাব নাম্বার বাকি ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৫শ’ টাকা প্রদান করে ওইদিনই বিকালে আলু নিতে তানোরে আসলে অভিযুক্তরা আলুর জমিতে নিয়ে গিয়ে আলু দেখায়। শ্রমিক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০ টার পর রনি সোনার আমির ডালিকে আলু দেয়া যাবেনা জানিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে কেটে পড়েন।
এঘটনায় বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়ে আমির ডালি রোববার রাতে ৫ জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা আত্নগোপনে রয়েছেন। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।