
মানুষ আজ অসহায় জীবন যাপন করছে,অন্যদিকে লুটেরা পূঁজির মালিকেরা সিন্ডিকেট বানিয়ে মানুষের পকেটের টাকা লুটিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার করছে, তারদ সর্বদা ধরাছোঁয়ার বাহিরে,এরা অপশক্তি,এরা নিদিষ্ট কোন দল করে না,এদের আদর্শ হলো, ব্যাংক,বীমা সহ রাষ্ট্রের সম্পদ লুটপাট, এরা যে যখন ক্ষমতায় যাবে সে দলে ভিড়ে দেশ জাতিকে বিপন্ন করে তুলবে, এই সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।
শনিবার ১৬ মার্চ বিকেল সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের ঢাকস্ত নেতৃবৃন্দের সভায় এসব দাবীর কথা বলা হয়। বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের নির্বহিী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে উপরিউক্ত মন্তব্য করেন আলোচকবৃন্দ।
আলোচনায় অংশ নেন, সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, এড, এস এম এ সবুর, জয়ন্তী রায়,সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একে আজাদ, জহিরুল ইসলাম জহির, পারভেজ হাসেম, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, সামসুল আলম জুলপিকার,সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, অলক দাসগুপ্ত, রেজাউল কবির, সাজেদুল আলম রিমন, হান্নান চৌধুরী, ইয়াসরেমিনা বেগম, বিপ্লব চাকমা, কেন্দ্রীয় নেতা নুরুল আমিন, গোলাম আব্বাস, কামরানুর রশীদ তুহীন, নাজমুল ইসলাম টিটু,রেনেছা পারভিন, ইসরাত জাহান সুমনা, বভি সর্দার, গৌতম শীল, সালউদ্দিন প্রমূখ,
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,আমরা মহান স্বাধীনতার মাসে অর্থাৎ ৫৩তম স্বাধীনতার বছর পার করছি। আজকের এই সময়টি জাতীয় জীবনে চরম হতাশার বিরাজ করছে, যা উপেক্ষা করার সূযোগ নেই, কারন আমাদের চারপাশে এতো অনিশ্চিত, অনিয়ম, অস্বচ্ছতা বিদ্যমান তা বলে শেষ করা সম্ভব না, দেশে সামাজিক অস্থিরতা, অবক্ষয়, নৈতিকতাহীনতা প্রতিনিয়ত হতাশার কথা মনে করে দেয়, এখানে এখনো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংক বীমা,আইনশৃঙ্খলার মতো সেবা খাত সমুহে সাধারণ মানুষের তেমন কোন সূযোগ বিনা তদবির বা ঘুষ ছাড়া হয়ে উঠেনা। সরকারের অনেক সদিচ্ছার প্রতিফলন জনগণের কাছে পৌঁছে না, পাশাপাশি প্রতিনিয়ত স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের নিগৃহীত হওয়ার ঘটনা বিবেকবান নাগরিকদের হতাশ করছে,গতকালই একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিচার না পেয়ে সামাজিক মাধ্যমে স্টাটাস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেচে নিয়েছে, বিচার হীনতার সংস্কৃতি অনেক পুরানো,এই অসহনীয় অবস্থা থেকে দেশবাসী পরিত্রান চায়, আসলে আমরা।যাচ্ছি কোথায়, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমুহে মস্তান, সন্ত্রাসবাদ আর ধর্মান্ধ শক্তির উত্থান চলছে, হানাহানি দখল দারিত্বের অশুভ তৎপরতায় ছাত্র, অভিবাবক ও বিবেকবানরা অসহায়। মানুষ স্বস্তি চায়, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়, মহান স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল এমন একটি স্থিতিশীল, বৈষম্য মুক্ত অসাম্প্রদায়িক চেতনার সমাজ বিনির্মান হবে, কিন্ত এখনো তা সম্ভব হয়ে উঠেনি, এখানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু,আদিবাসী, নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় নি। প্রতিনিয়ত এই সকল নিরীহ মানুষগুলো হেনেস্তার স্বীকার হয়ে অসহায় জীবন যাপন করছে,অন্যদিকে লুটেরা পূঁজির মালিকেরা সিন্ডিকেট বানিয়ে মানুষের পকেটের টাকা লুটিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার করছে, তারদ সর্বদা ধরাছোঁয়ার বাহিরে, এরা অপশক্তি, এরা নিদিষ্ট কোন দল করে না,এদের আদর্শ হলো, ব্যাংক,বীমা সহ রাষ্ট্রের সম্পদ লুটপাট, এরা যে যখন ক্ষমতায় যাবে সে দলে ভিড়ে দেশ জাতিকে বিপন্ন করে তুলবে,আমরা এই সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি, গণমাধ্যমে জানলাম দীর্ঘ সময় থেকে বাজার ব্যবস্থার অনিয়ন্ত্রিত জনগন দিশেহারা, মানুষ ক্রয় ক্ষমতা হারিয়ে পরিবার পরিজনদের নিয়ে দুঃখ কষ্টে দিনাতিপাত করছে, এমতাবস্থায় সরকার জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে কতিপয় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নির্ধারন করেছেন, মূলত সরকার ঘোষিত মূল্যে কোথাও অতীতে জিনিসপত্র বিক্রি হয়না বলেই জনগণ এবারের ঘোষণায় ও আস্থায় নিতে পারেনি। আমরা সাধুবাদ জানিয়ে বলতে চাই, নূন্যতম এই দামে বাজারে জিনিসপত্র বিক্রি হবে কি না, তার নিশ্চয়তা কোথায়, বাজার নিয়মিত মনিটরিং কোথায় হচ্ছে তা দেশবাসী দেখাতে চায়। দেশবাসীকে অসাধু মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা আশা করে। বার্তাটি প্রেরন করেছেন, বিপ্লব চাকমা, দফতর সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।