
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, গান পাউডার ও অস্ত্র বিক্রয়লব্ধ প্রায় তিন লক্ষ টাকাসহ কুখ্যাত আন্ত: জেলা ডাকাত সর্দার ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নুরুল আবছার ওরফে ডাকাত আবছারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী আবুল মনসুরকে রামুর গর্জনিয়া ঘোনারপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। র্যাব-১৫ এর প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায় কুখ্যাত ডাকাত সর্দার আবছার ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসা ও ভাড়া দেওয়ার কাজে জড়িত রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর একটি টিম অনুসন্ধান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ঘোনারপাড়ার মোঃ নুরুল আবছারের বসত ঘরের ভিতরে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য রয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে র্যাব-১৫ এর বিশেষ টিম অভিযান চালায়।
এ সময় র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে সুচতুর ডাকাত আবছার পালিয়ে যায়। এসময় তার দেহরক্ষী বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীর মনছুর আলম (২০), পিতা- আব্দুল খালেক কে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব। এর পর উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত মনছুরের দেহ তল্লাশী করে ১টি এলজি এবং পলাতক ডাকাত আবছার এর বসত ঘর তল্লাশী করে ৬টি ওয়ান শুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি, ২০০ গ্রাম গান পাউডার এবং অস্ত্র বিক্রয়লব্ধ ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এসকল অস্ত্র-গোলাবারুদ নিজেদের ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহারসহ দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজার শহর এবং শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-গোলাবারুদ বিক্রি করে আসছিল।উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকত অপরাধী মনছুর আলম এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর ল এন্ড মিডিয়ার সিনিয়র সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু সালাম চৌধুরী।