
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়ের ঘড় বাজারে বিল্লাল বাহিনীর তান্ডবে নিরীহ ইজিবাইক শ্রমিকের উপর নির্লীপ্ত হামলায় ২৫ থেকে ৩৫ টি ইজিবাইক ভাংচুরের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার বিকাল ২ টা ৩০মিনিটে লাউড়েরগড় ইজিবাইক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
লাউড়েরগড় ইজিবাইক সমিতির সভাপতি কাহার মিয়া বাদী হয়ে শ্রমীকদের পক্ষে তাহিরপুর থানায় বিল্লাল বাহিনীর প্রধান বিল্লাল সহ ১১ জনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয় বিল্লাল বাহিনীর প্রধান বিল্লাল সহ তার লোকজন শীর্ষ চোরাকারবারি, মাদক ব্যাবসায়ী, সন্ত্রসী এলাকায় ত্রাসের রজত্ব কায়েম করেছে তার বাহিনী। ঘটনার দিন ইছব মিয়া তার ইজিবাইক নিয়ে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিল সমিতির কার্যালয়ের সামনে এমন সময় বিল্লাল বাহিনীর এক সদস্য সুমন মিয়া ইজিবাইকে উঠে বসে থাকে জোর করে একা নিয়ে যেতে বল্লে ইজিবাইক চালক অপারগতা প্রকাশ করলে তাঁকে মারধর করে ইজিবাইক ভাংচুর করে। ইজিবাইক সমিতির সভাপতি বিচারের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে চাইলেও পুনরায় বিকাল বেলা আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় বিল্লাল মিয়া সহ তার বাহিনীর ৩০ থেকে ৩৫ জন লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে ২৫/ থেকে ৩৫ টি ইজিবাইক ভাংচুর সহ শ্রমিকদের রক্তাক্ত করে এবং দেশীয় অশ্র দ্বারা বাড়িতে আক্রমণ করে একটি গরুকে রক্তাত্ব করে বিল্লাল বাহিনী।আমরা নিরীহ শ্রমিকরা বিল্লাল বাহিনীর প্রধান বিল্লালের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানাই।
ইজিবাইক চালক ইছব আলী কেঁদে কেঁদে এই প্রতিবেদককে বলেন, অনেক কষ্ট করে এনজিও থেকে লোন করে এই গাড়িটি কিনেছিলাম, রমজান মাসে রোজা রেখে গাড়িটি নিয়ে বেড় হয়েছিলাম কিছু রোজগার হবে, কিন্তুু বিলাল বাহিনী আজ আমার স্বপ্ন ভেংগে চুরমার করে দিল। এখন আমি কি করবো ভেবে পাচ্ছিনা। গাড়ি চালাতে না পারলে ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে উপবাস থাকতে হবে। আমি এই চোরাকারবারি সন্ত্রাসী মাদক ব্যাবসায়ীদের বিচার চাই। আমার মতো আর কেউ যেন এই বাহিনীর হাতে রক্তাত্ব না হয়।
তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজিমউদ্দীন বলেন, ইজিবাইক ভাংচুরের ঘটনা শুনেছি। আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে তদন্তপুর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।