
ঢাকার ভাটারা থানার যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকা থেকে পর্নোগ্রাফি মামলার পলাতক আসামি মো. মাহাবুব খন্দকার (৩২) নামের একজনকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছেন পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।
বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিকালে এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং এর পুলিশ সুপার ব্যারিস্টার মাহফুজুল আলম রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাটারা থানার যমুনা ফিউচার পার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান। এসময় একটি মোবাইল ফোন ও দু’টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে।
এটিইউ’র পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল। মো.মাহাবুব খন্দকারের সঙ্গে ভুক্তভোগী এক নারীর বিয়ে হয়। সাংসারিক বনিবনা না হওয়ায়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর ঐ নারী মো. মাহাবুব খন্দকারকে তালাক দেন।
এরপর অন্যত্র বিয়ে করে নতুন করে সংসার করে আসছিলেন। দাম্পত্য সম্পর্ক থাকা অবস্থায় আসামী মো. মাহাবুব খন্দকার ভুক্তভোগী নারীর অজান্তে তাদের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ও ভিডিও আসামী নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন। তালাকের পর থেকেই আসামী মো. মাহাবুব খন্দকার ঐ নারীর (প্রাক্তন স্ত্রী) নগ্ন ছবি ও ভিডিও ফেইসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটস্ অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর বর্তমান স্বামীসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে হয়রানি করতে থাকেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে,আসামীর কথামতো তার সংসারে ফিরে না গেলে সে সকল আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। এমন কথা বলে সব সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। ভুক্তভোগী নারী নিরুপায় হয়ে ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে সেই অভিযোগ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়। আসামীকে গ্রেফতারের জন্য এটিইউ নিজস্ব নজরদারীর বাড়িয়ে মো.মাহাবুব খন্দকারকে গ্রেফতার করে।
ডিআই/এসকে