
র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, কিশোর গ্যাং, গ্যাং কালচার ও কিশোর অপরাধীদের মদদ দিচ্ছে বা যারা এ ধরনের কাজ করছে আমারা তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। যারা অপরাধ করছে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি ও ছাড় দিচ্ছি না।
সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
খন্দকার আল মঈন বলেন,কিশোর গ্যাংয়ের সঠিক সংখ্যা বলা কঠিন। আজকে র্যাব-১ কিশোর অপরাধে জড়িত ৩২ জনকে আটক করেছে। গত কয়েক দিন আগে র্যাব ও পুলিশ আটক করেছে। আমরা কিন্তু কিশোর গ্যাং, গ্যাং কালচার ও কিশোর অপরাধীদের মদদ দিচ্ছে বা যারা এ ধরনের কাজ করছে আমারা তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।
আমরা আজকে (সোমবার) যাদের আটক করেছি তাদের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছর। তারাও একদমই তরুণ। যেকোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথে যাদের নামে মামলা হচ্ছে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। পাশাপাশি একটি সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তোলার জন্য আমাদের যার যার ক্ষেত্র থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করা বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় যাচ্ছি। আপনারা জানের কিশোর গ্যাং নিয়ে একটি বইও লিখেছি। যে যার সেক্টর থেকে আমরা সবাই চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে সমাজ থেকে কিশোর অপরাধ নির্মূল করা যায়।
তিনি বলেন, কিন্তু অভিযান চালিয়ে যেতে হবে। যারা এ ধরনের অপরাধ করছে বা জড়িত রয়েছে তাদেরকে যদি আইনের আওতায় না আনা হয় তাহলে অপরাধের মাত্রা বেড়ে যাবে। অপরাধীদের সাহস বেড়ে যাবে। যারা অপরাধ করছে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি ও ছাড় দিচ্ছি না। এ ধরনের অভিযান আমাদের চলমান থাকবে।
ডিআই/এসকে