
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৫নং চাকলাহাট ইউনিয়নে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মোঃ রবিউল ইসলাম উপজেলার ৫নং চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড প্রধান পাড়া এলাকার মোঃ সহিদুল ইসলামের ছেলে। মোঃ রবিউল ইসলাম ও পিতা সহিদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মুল মালিকের মালিকানা কয়েক দফা হাত বদল শেষে আগত এস এ খতিয়ান ২০৮ থেকে খারিজ কেস নং ২৯৩ হতে মোঃ বাবুলুর হক (বাবুল) এর কাছ থেকে ১৩-০১-২০২১ ইং তারিখের ১৭৪ নং সাব কবলা দলিল মুলে এস এ ৬৫৭ ও ৬৬০ নং দাগের .১৯ শতক জমি ভুক্তভোগীর পরিবার ক্রয় করে ভোগদখল করে আসতেছে।
এর মধ্যে একটি চক্র জোর পূর্বক জমি বেদখল দেওয়ার চেষ্টায় ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী মোঃ রবিউল ইসলাম ন্যায় বিচারের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পঞ্চগড়ে ৬ জনের নাম উল্লখ করে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নালিশ আনায়ন করে। ভুক্তভোগী মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, আদালত ৬৫৭ ও ৬৬০ নং দাগের .৪৮ শতক জমির উপর অন্তবর্তী কালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
প্রতিপক্ষের বাড়িঘর রয়েছে ৬৫৮ নং দাগের উপর। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৬৬০ নং দাগের উপর রাতের আধারে মাটি ভরাট করে ঘর নির্মাণ করেছে। ৬৫৮ নং দাগে থাকা বসত বাড়ী সম্প্রসারণ করে ৬৬০ নং দাগের উপর অনুপ্রবেশ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে দেখা গেছে ৬৫৭ নং দাগের দক্ষিণ অংশে ৯ শতক ও ৬৬০ নং দাগের দক্ষিণ অংশে ১০ শতক জমিতে ভুক্তভোগী মোঃ রবিউল ইসলাম গম চাষ করেছে। ৬৫৭ ও ৬৬০ দাগ দুটি সম্পূর্ণ আবাদি কৃৃৃষি জমি। ৬৫৮ নং দাগে বাড়িঘর রয়েছে।
বিবাদী মোঃ খতিবর রহমান এর স্ত্রী মোছাঃ মোমেনা বেগম ও ছেলে মোঃ খোকন ইসলাম ৬৫৮ নং দাগের উপর বাড়িঘর থাকার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দাগের পশ্চিমে আমাদের বাড়ি ও পূর্ব অংশে আলি হোসেন এর বাড়ি। ৬৬০ নং দাগের উপর কোন বাড়িঘর নেই। ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্যে আলী হোসেনের বাড়ির পূর্ব সীমানা ঘেঁষে ৬৬০ নং দাগে রাতের আধারে একটি ছোট টিনের চালা ও নতুন করে মাটি ভরাট করছে। টিনের চালার পূর্ব দিকে আরো প্রায় ৫ ফিট নতুন করে মাটি ভরাট করেছে। আলি হোসেনের পরিবারের লোকজন নতুন করে মাটি ভরাটের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টিনের চালা আগের। মাটি আমরা নতুন করে ভরাট করেছি।