
ভারত – বাংলাদেশ মৈত্রী পরিষদের প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গুণীজন সম্বর্ধনা, মনোজ্ঞ সাংস্কতিক অনুষ্ঠান ও মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরস্কার গত ৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বিদ্যাসাগর কলেজের সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হয়।
ভারত – বাংলাদেশ মৈত্রী পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির শুভ সূচনা হয়। ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর উপস্থিত সকল আমন্ত্রিত অতিথিদের উওরীয় দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসাবে মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার কৃতি সন্তান ও সাংবাদিক মো:মোস্তাফিজুর রহমান। মো:মোস্তাফিজুর রহমান একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি ভারত – বাংলাদেশ মৈত্রী পরিষদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক। মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত হওয়ার পর মো:মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ সম্মাননা পেয়ে আমি আপ্লূত ও অভিভূত। এ সম্মাননা আমাকে, আরও বেশি অনুপ্রেরণা যোগাবে। আমার মা বেঁচে থাকলে অনেক বেশি খুশি হতেন।তিনি আরও বলেন, এ সম্মাননা ও পুরষ্কার আমার প্রয়াত মা’ কে উৎসর্গ করছি।
আমাকে এ সম্মাননা দেওয়ার জন্য ভারত – বাংলাদেশ মৈত্রী পরিষদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ । তিনি বলেন, দুই দেশের অতীত ঐতিহ্য, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, মন ও মনন একই সুতায় গাঁথা। মাঝখানে তারকাঁটার বেড়া দিয়ে দুই বাঙলার সাহিত্য, সম্পর্ক, সম্প্রতি ও বন্ধন আলাদা করা সম্ভব নয়।আমি মনে করি, ভারত – বাংলাদেশ মৈত্রী পরিষদের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভাতৃত্বের বন্ধন আরও অটুট হবে।