
গোলাপ ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার সম্ভাবনা সন্ধ্যাকুড়ার চাষী জামাল উদ্দিনের। চাষী জামাল উদ্দিন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা।সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ৩কন্যা স্বামী স্ত্রী মিলে ৫সদস্যের সংসার চালাতে প্রথমে লিচু বাগান করার প্রস্তুতি নেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ফুলকে আন্তর্জাতিক ভাবে বাজারজাত করার ঘোষণা দেওয়ার পরে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন দিলদারের পরামর্শ নিয়ে ২০২৩সালে ভারতের চেন্নাই থেকে কিছু থাই গোলাপের চারা এনে ২৫শতাংশ জমিতে রোপণ করেন। চারা রোপনের ২মাসের মধ্যেই রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুল বাজারজাত করতে শুরু করেন চাষী জামাল। মাত্র ১১মাসে ৫লাখ টাকার ফুল বিক্রি করে, তিনি ফুল চাষে আরও উৎসাহিত হন। নিজের উৎপাদিত চারা দিয়ে আরও ৩০শতাংশ জমিতে ৫রঙ্গের গোলাপ ফুলের চারা রোপণ করেন। এবং ৫শতাংশ জমিতে চারা উৎপাদন করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বাজারজাত করার প্রস্তুতি নেন। তিনি আরও বলেন তার ফুল বাগানে মাঝে মধ্যে কৃষিবিদ হুমায়ুন দিলদার ও দিলরুবা বেগম পরিদর্শন করে পরামর্শ দেন। তাদের পরামর্শে ৬০শতাংশ জায়গা জুড়ে গড়ে তুলেন ফাইজা ফ্লাওয়ার”স গার্ডেন। এতে তার ব্যায় হয়েছে প্রায় ১২লাখ টাকা। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে সবগুলো গাছে ৫রঙ্গের ফুল ফুটতে শুরু হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন চাষী জামাল উদ্দিন। ফুল বাগানের পাশাপাশি তিনি ভার্মি কম্পোস্ট জৈব সার উৎপাদন শুরু করেছেন তা থেকে প্রতি মাসে ২০হাজার টাকা আয় করবেন বলে জানান কৃষক জামাল উদ্দিন।