
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউপির পশ্চিম খাজাপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী তাজুল ইসলাম এর উপর প্রতিপক্ষ মোঃ আসাদ প্রামানিক গংদের হামলা ও নির্যাতনের বিচার চেয়ে নিজ বাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবন্ধী তাজুল ইসলাম বলেন, আমি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। আমি গত ০১/০৩/২০১৫ইং তারিখে খাজাপুর একরামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার পচিশ শতাংশ জমি বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে দুপক্ষ আলোচনা করি এবং জমির মূল্য নির্ধার করি ২লক্ষ ২০ হাজার টাকা। আলোচনা মোতাবেক ৩শত টাকার স্ট্যাম্পের উপর লিখিত বায়নানাম হিসাবে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা প্রদান করি। উক্ত জমি ২০১৫ইং সাল থেকে চাষাবাদ করে আসছি। বর্তমানে তা আমার দখলে রয়েছে। বাঁকি টাকা ৩মাসের মধ্যে বুঝে নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমাকে জমি রেজিষ্ট্রি দিবে বলে। কিন্ত ৩ মাস গত হওয়ার পর থেকে আমি তাদেরকের বার বার জমি রেজিষ্ট্রি দেওয়ার জন্য তাগিদ দিলে তারা তাল বাহানা শুরু করে। গত ০৩/০৩/২০২৪ইং তারিখে সকাল ১০টায় মোঃ আব্দুস সালাম প্রামানিক ও আসাদ প্রমানিক আমার নিকট ১লক্ষ টাকা ধার চাইতে আসে এবং আমাকে উক্ত জমি রেজিষ্ট্রি দেওয়ার ব্যাপারে আসস্ত করে। আমি টাকা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে তারা আবারও রাত্রী ১০টায় স্থানীয় আকরামের দোকানের সামনে আসে তখন আমি চা খাচ্ছিলাম। সেই সময় তারা আবারও আমার কাছে টাকা চায়। তখন আমি টাকা দিতে অস্বীকার করিলে আসাদ প্রামানিক ক্ষিপ্ত হইয়া আমার হুইল চেয়ারে লাথি মারে।
সে সময় আমি হুইল চেয়ার সহ মাটিতে পড়ে গেলে উক্ত ব্যক্তিদয় আমাকে কিলঘুশি ও লাথি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি চিৎকার করলে আমার পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পপ্লেক্স এ চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। চিকিৎসা গ্রহণ করার পর গত ০৪/০৩/২০২৪ইং তারিখে মোঃ মাহাবুর হাফেজ (মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল) (৬০), পিতা: অজ্ঞাত, সাং-পূর্ব খাজাপুর, আব্দুস সালাম প্রামানিক, পিতা মৃত সিরাজ উদ্দীন প্রমানিক, মোঃ আসাদ প্রামানিক (৩৬), পিতা: বেলাল প্রামানিক, উভয় সাং-পশ্চিম খাজাপুর, ঐ ঘটনা কে কেন্দ্র করে। বাদী তাজুল ইসলাম, ফুলবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভূগি প্রতিবন্ধী তাজুল ইসলাম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন প্রতিপক্ষরা আমাকে প্রাণ নাশের ও বাড়ী হামলা করারও হুমকি দেয়। আমি নিরুপাই হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মধ্যমে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্ত চাই।