ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই

রাজধানী জুড়ে রেস্তোরায় নজর রাখা হচ্ছে:ডিবি হারুন

ঢাকা মহানর গোয়েন্দা পুলিশর (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন,একটা ঘটনা ঘটার পরে আমরা শোক করি,জ্ঞান দেই। কিন্তু দায়িত্বরত সকল সংস্থা নিজেদের কাজ করলে আগুনে বেইল রোডসহ অতীতে যে সকল প্রাণহানী ঘটেছে সেগুলো দেখতে হচ্ছে না। তাই এবার ডিএমপির থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরায় নজর রাখছে যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ও দূর্ঘটনা ঘটলে জরুরি বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না।

সোমবার ( ৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বেইল রোডের ঘটনা উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন,বেইল রোডের গ্রিণ কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় আমাদের একজন পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে যিনি বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন সে সহ ৪৬ জন নিহত হয়েছে। এই এক আগুনে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে। আসলে যার সন্তান মারা যায় সে শোক বোঝে। আসলে আমরা মারা যাওয়ার পরে শোক করি,কান্না করি। জ্ঞান দেই। আসলে আমাদের প্রতিটি সংস্থার যে দায়িত্ব আছে সেগুলো আমরা যদি পালন করতাম তাহলে আমার মনে হয় এমন ঘটনা হয় তো আর ঘটতো না। তাই এখন আমরা প্রতিটি রেস্তোরায় খোঁজ খবর নিচ্ছি। ঢাকা শহরে এমন কোনো রেস্তোরা আছে কি না যেগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না। দ্রুত বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না। বাতাল চলাচলের রাস্তা আছে কি না আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছে। কোনো অনিয়ম পেলে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করবো।

হারুন বলেন,এমন দূর্ঘটনার পেছনে তো গাফিলতি থাকেই। তবে কোনো ঘটনা ঘটার পরে আমরা সেটা (গাফিলতি) খুঁজি। নিয়মকানুন না মেনে যত্রতত্রভাবে ভবন বানানো হচ্ছে। এই সকল ভবনের খোঁজ খবর যদি আগে থেকে নিয়ে রাখা হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বঙ্গবাজার,নীমতলি,বনানীর এফ আর টাওয়ারে মতো এমন ঘটনা বারবার ঘটতো না।

কাচ্চি ভাই রেস্তোরার বিষয়ে ডিবি প্রধান বলেন,
বেইল রোডে এই ভবনে এতোগুলো রেস্তোরা চালানোর অনুমোদন ছিলো কি না। যে দোকনটিতে ২০ জন মানুষ বসার সুযোগ নেই অথচ সেখানে ৫০ জনকে ২০৫ ছাড় দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। এখানে কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে মানুষগুলো কি ভাবে বের হবে। সিঁড়িতে রাখা হতো গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিলো। এই সকল রেস্তোরার অনুমোদন ছিলো কি না, ফায়ার সার্ভিস ঠিক মতো তদারকি করেছে কি না আমার জানা নেই। আর রুমগুলো এমন ভাবে সাজিয়েছে যে বাতাস যাওয়ার সুযোগ ছিলো না। বাতাস চলাচলের রাস্তা থাকলে এতো প্রাণহানী হয় তো হতো না। এমন কি দূর্ঘটনা ঘটলে ছাদে গিয়ে মানুষ বাঁচবে সেখানেও যাওয়ার রাস্তা নেই রেস্তোরা বানিয়ে রেখেছে। এমন ভবন তো ঢাকা শহরে আরও আছে। এসব দেখার জন্য ঢাকা শহরে আরও অনেক সংস্থা আছে। ভবন ম্যানেজার আছেন। তারা কি খোঁজ খবর রাখছেন সেটাও আমরা জানি না।

ডিআই/এসকে

শেয়ার করুনঃ