
গত ২৫/১০/২০২৩ ইং তারিখের দৈনিক আমাদের রাজশাহী ও সানশাইন পত্রিকায় আমার সংবাদ সম্মেলনের যে, প্রতিবাদ করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নূরুল হুদা তা বস্তুনিষ্ঠ এবং সত্য নয়। উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং বানোয়াট তথ্য দেয়ার জন্য এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা করছি।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের উপস্থাপিত তথ্য উপাত্ত যে সঠিক নয়, তার প্রমাণ স্বরূপ আমার নিয়োগ, যোগদান, মামলা, শুনানীর সকল তথ্য উল্লেখ করছি। আমার ইংরেজি প্রভাষকের পদ যে, শূন্য ছিল তার প্রমাণ
১. আমাদের রাজশাহী এবং বাংলাদেশ সময় পত্রিকায় ১৩.০৫.২০১৫ খ্রি. তাং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার।
২. আমি যে, ০৬.০১.২০১৬ সালে মোহনগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে যোগদান করি তার প্রমাণ আমার নিয়োগ এবং যোগদানপত্র।
৩. এনটিআরসিএ কে মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কপি দেয়া হয়েছে, তার প্রমাণ আমার আবেদনের রিসিভ ০৬/০৩/২০২৩ইং এবং আমার আইনজীবীর আবেদনের রিসিভ কপি তাং ০৭/০৩/২০২৩ইং।
৪. প্রতিবাদে বলা হয়েছে ১২/০১/২০২৩ ইং থেকে ১২/০৭/২০২৩ইং পর্যন্ত ছয়মাস কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো এই স্থগিতাদেশের প্রেক্ষিতেই ০৬/০৩/২০২৩ ইং মাউশিতে আমার এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের শুনানীর দিন ধার্য্য ছিল। সেদিন তিনি শুনানীতে অংশগ্রহণ করেননি। আমি উপস্থিত ছিলাম।
পরবর্তীতে ০২/১০/২০২৩ ইং এ মাউশিতে শুনানী হয় সেখানেও তিনি উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের প্রেক্ষিতেই ০৯/১০/২৩ ইং এ মাউশিতে অসুস্থতার ভান করে শুনানীতে অংশগ্রহণ করেননি, অথচ ০৯/১০/২০২৩ ইং তারিখ জয়পুরহাট এলাকায় কর্মরত সর: প্রা: বিদ্যালয়ের জাকিয়া আকতার নামক এক শিক্ষিকাকে মাউশি এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অবমাননা করে নিয়োগ এবং যোগদান করিয়ে নেন।
৫. ০৮/০৩/২০২১ ইং তাং এনটিআরসিএ তে প্রভাষক (ইংরেজি) পদ শূন্য দেখান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ, এবং তার পর থেকে আমাকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে দেননি, তার পূর্ব পর্যন্ত ০৬/১১/২০১৬ খ্রি. হতে ০৮/০৩/২০২১ খ্রি. পর্যন্ত অত্র কলেজে নিয়মিত প্রভাষক হিসাবে পাঠদান সহ সকল দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করি।
৬. নিয়োগদাতা ডিজি মহোদয়ের প্রতিনিধি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সমন্ধে ১৩/০২/২০১৬ খ্রি. রাজশাহী প্রেসক্লাবে যে, প্রশ্ন উত্তরের কথা বলা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।
কারণ ডিজি মহোদয়ের প্রতিনিধি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধির নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় রেজুলেশন এবং কাগজপত্রে সিল, স্বাক্ষর রয়েছে। তার প্রমাণ সহ যাবতীয় কাগজপত্র শুনানীতে দাখিল করেছি।
প্রতিবাদকারী,
মোঃ শাহাদত হোসেন
প্রভাষক (ইংরেজি)
মোহনগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ বাগমারা, রাজশাহী।