
পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার দর বৃদ্ধি ক্রেতা সাধারন দিশেহারা। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কমেনি। বরং হু হু করে আরও দাম বেডে়ছে। পেঁপে ছাড়া বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে।
মাছ ও পেঁয়াজসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম র্ঊধ্বমুখি। চরম অস্বস্তিতে পডে়ছেন বাজার করতে আসা মধ্য ও নিম্নবিত্ত ক্রেতা সাধারন। বৃহস্পতিবার ২৬ অক্টোবর উপজেলার পীরতলা, দুমকী নতুন বাজার, রাজাখালী, তালতলী, তালুকদার হাট, র্বোড অফিস বাজার ঘুরে এমন চিত্র ফুটে উঠেছে। সবজিসহ প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। কেজি দর বেগুন ৯০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, করলা ৯০
টাকা, মূলা ৭০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, সিম ১শ ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, কচুর গাডি় ৬০ টাকা, ঢেঁরস ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঝিঙা ৬৫ টাকা, কাঁচা কলার হালি ৩৫ টাকা, মিষ্টি
কুমড়া ৫০ টাকা, প্রতিপিস লাউ ৭০ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে র্ফামের ডিম হালি ৫৫ টাকা, দেশি হাঁস, মুরগির ডিম ৭৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
বয়লার মুরগি ১শ ৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩শ ৪০ টাকা, গরুর মাংস ৭শ ৮০ ও খাসির মাংস ১হাজার ৫০ টাকা করে কেজি বিক্রি হচ্ছে। নিম্নবিত্তরা ছোট বড় পরিবারের চাহিদা মত বাজার করতে না পেরে হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে খালি ব্যাগ নিয়ে বাডি় যাচ্ছে। হাটুরেরা দিনমজুর আলম বলেন, আমাদের সাধারণ মানুষের পক্ষে বাজার করা অসম্ভব হয়ে পডে়ছে।
যে টাকা রোজগার করি তার চেয়ে বাজার দর অনেক গুণ বেশি। মাহবুব জানান, মধ্যসত্ত্বভোগী সিন্ডিকেটের জিম্মির ফলে একদিকে কৃষক তার সবজি বা ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেনা। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটা যায়। কাঁচামাল ব্যবসায়ী হুমায়ুন প্যাদা জানান, বাজারে সবজি সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। বাজারে সরবরাহ বাড়লে কমে যাবে। এ ব্যাপারে উপজেলা র্নিবাহী র্কমর্কতা আল ইমরান এ প্রতিনিধিকে জানান, বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং কোন অসাধু ব্যবসায়ী যদি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে তার বিরুদ্ধে আইনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।