ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মোহাম্মদপুর সাড়াশি অভিযান,গ্রেফতার ১৫
একুশে পরিবহনে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া,ঘটনাটি ডাকাতি নয় বলছে পুলিশ
পূর্ব শত্রুতার জেরে অটোরিক্সা চালক হত্যা,গ্রেফতার ২
পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ক্ষতিপূরণসহ চাকরি পুনর্বহালের দাবি বিডিআর সদস্যদের
ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নোয়াখালী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন: ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও হাইড্রোজেন সিলিন্ডার ছিল বিপদের কারণ
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

রূপগঞ্জে চাচাকে হত্যার দায়ে ভাতিজার ফাঁসি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অবিনাশ সরকারকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ভাতিজা অনুকুল সরকারকে ফাঁসি ও অপর ভাতিজা সহদেব সরকারকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলার বাদী ও নিহতের ভাই সুজন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, রূপগঞ্জের আধুরিয়া পোরাবো এলাকার বাসিন্দা প্রান কুমার সরকারের ছেলে অবিনাশ সরকার বাড়ির সীমানা মাপতে গেলে ২০২০ সালে ১ এপ্রিল সকালে জীবন সরকারের ছেলে অনুকুল সরকার, সহদেব সরকার, অর্জুন সরকার, মৃত প্রভাত মিস্ত্রির ছেলে জীবন সরকার,অর্জুন সরকারের স্ত্রী দিপালী সরকার চাপাতি ও ছুরি দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় নিহতের স্ত্রী মাধবী সরকার, ভাতিজা পবিত্র সরকার, অভিনাশ সরকারের ছেলে দুর্জয়, সুজন সরকারের মেয়ে কাকলী গুরুতর আহন হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সুজন সরকার বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে।

এদিকে ২০২০ সালে ২৯ সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযুক্ত ৫ জনকে সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ দায়রা জজ আদালত মামলার শুনানী না করেই এক আসামির ফাঁসি ও অন্য এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন বিচারক আস্সাম মোহাম্মদ জগলুল হোসেন।
মামলার বাদি ও নিহতের ভাই সুজন সরকার মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আমরা উচ্চ আদালতে আপীল করবো। প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার পরও আসামিরা কিভাবে পলাতক আসামিরা মামলা থেকে অব্যাহতি পায়। আমরা সঠিক বিচার পাইনি। আসামিরা অবিনাশ সরকারকে হত্যার পর থেকে পলাতক রয়েছে। প্রায় সময় আসামিরা মুঠোফোনে বাদিপক্ষকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিতো। বিষয়টি রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়রীভুক্ত করা হয়েছে। আদালতে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে বাদিপক্ষ এখন চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি মনিরুজ্জামান বুলবুল জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই সুজন সরকার বাদি হয়ে ৫জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে ৫ জনকেই অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। ময়নাতদন্ত ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অনুকুল সরকারকে মৃত্যুদন্ড ও তার ছোট ভাই সহদেব সরকারকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। তারা দুজনই পলাতক রয়েছে। মামলার বরাত দিয়ে আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, নিহত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল।

শেয়ার করুনঃ