
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান- ইঞ্জিনিয়ার আজহারউদ্দিনের বাতিঘর নাম সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতায় ও বেওয়ারিশ (মেয়ে) নবজাতকের লাশের দাফনকাজ সম্পন্ন করেছে। উল্লেখ যে, গত মঙ্গলবার (২০) তারিখ দিনগত মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একটি নালার কালভার্টের নিচে পলিথিনে মোড়ানো একটি মেয়ে নবজাতক জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রশাসন। নালায় ফেলে দেওয়ায় নবজাতকের মুখের একাংশ কামডে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে পোকামাকড়। নবজাতকটির মুখমণ্ডল, হাত ও পা পোকামাকড় ক্ষতবিক্ষত করায় শারীরিকভাবে নবজাতক অনেক দুর্বল হয়ে যায়। সদর হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় (১৯) তারিখ বুধবার সন্ধ্যার দিকে অজ্ঞাত মেয়ে নবজাতক শিশুটি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। কি অপরাধ ছিলো নিষ্পাপ এই অবুঝ শিশুটির? নিজের পরিচয় না জানা অবুঝ নিষ্পাপ শিশুটি আজ তার জীবনের শেষ গন্তব্য’ই (২৩ফেব্রুয়ারি ২৪)শুক্রবার জুমার নামাযের পর মেয়ে নবজাতকের লাশের দাফনকাজ সম্পন্ন করলন একটি মানবিক সংগঠন বাতিঘর। এই মানবিক সংগঠন অর্ধ গলিত পচা লাশ দাফন করার অনেক নজির রয়েছে নিঃসন্দেহ এই ভালো কাজগুলো করার জন্য অন্যান্য সংগঠন সহ ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাছেন মানবিক সংগঠন বাতিঘ’কে। এখন পর্যন্ত বাতিঘরের উদ্যোগে ১৩৮টি বেওয়ারিশ লাশ দাফনকাজ করেছে বলে জানাই বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আজাহার উদ্দিন।