ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’

সীমান্তে হত্যা-আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে নাগেশ্বরীতে মানববন্ধন

সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে প্রতিকী লাশ নিয়ে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে  ঢাকাস্থ বাংলাদেশ গণশক্তি পার্টির আহ্বায়ক হানিফ বাংলাদেশির নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী সড়কের নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এই মানববন্ধন করে। এর আগে বুধবার   হানিফ বাংলাদেশি ভূরুঙ্গামারীতে এই কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন হানিফ বাংলাদেশি, নাগেশ্বরী পৌর যুব সংগঠনের সভাপতি মোঃ সাদিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ যুব শক্তি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি নুরনবী মিয়া প্রমুখ।
জানা গেছে এর আগে হানিফ বাংলাদেশি ‘প্রতিকী লাশের মিছিল’ নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা অতিক্রম করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত আছে এমন সব জেলা ও উপজেলা প্রদক্ষিণ করে এভাবে প্রতিবাদ জানাবেন তিনি। কর্মসূচিটি যশোরের বেনাপোল উপজেলায় গিয়ে শেষ হবে বলে জানান হানিফ বাংলাদেশি। তিনি আরো  বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুটি দেশ ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তে নিরীহ মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করছে। কিছুদিন আগে একজন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ।

সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার পরে বলা হয় এরা গরু চোরাকারবারি। হতে পারে গরু চোরাকারবারির সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু এদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। গুলি করে হত্যা করবে কেন? ভারত ও মিয়ানমার যদি তাদের দেশের পাঁচারকারীদের দমন করে তাহলে বাংলাদেশের পাঁচারকারীরা এমনিতেই সব বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে।

শেয়ার করুনঃ