ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাকরিতে যোগদান পর বিনা কারণেই চাকরি থেকে ছাটাই করা অন্যায় ব্যভিচার করা হয়েছে এক যুবকের সাথে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১০টা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ঢাকা চিটাগাং রোডে রেললাইন পাশে কিছু মানুষ জোর হয়ে আছে দেহে প্রতিবেদক জিজ্ঞেস করতে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আত্মহতার পথবেছে নেওয়া তানভীর আহমেদ নামের সেই যুবক।
বিনা কারণে বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার জন্য প্রতিকার চাচ্ছেন তিনি জানান আমি চাকরির জন্য আবেদন করি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এসুবাদে আমার সিভি জমা দেওয়ার এবং সিভিতে উল্লেখ্য করে আমার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন কর্তৃপক্ষ পরে দিন রোজ মঙ্গলবার ২৩ /১০ /২০২৩ এচাকরিতে ওয়ার্ড মাস্টার হিসেবে আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয় নিয়োগ পেয়ে আমি যথাযোগ্য সময় চাকরিতে যোগদান করি মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করতে থাকি চাকরি করে আসিতেছি কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ ছাড়াই আমাকে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে ডেকে নিয়ে বিনা কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেন আমি এ বিষয়ে কারণ জানতে চাইলে কোন শুধু উত্তর দিতে পরেনি আমাকে বলে আগে থেকে নাকি একজন লোক ঠিক করে রেখেছিল মালিকপক্ষ যদি এমনই হতো তাহলে আমাকে কেন চাকরিতে যোগদান করার জন্য লিখিতভাবে নিয়োগ যোগদান করালেন এ প্রশ্নের শুধু উত্তর দিতে পরেনি হাসপাতালের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান।
এদিকে চাকরি পাওয়ার সুবাদে বাড়ির মা এবং ফ্যামিলির সবাই খুশি হয়েছিলেন এখন আমি মনে করি এটা আমার সাথে একেবারেই বেআইনি ও অন্যায় করা হয়েছে। বিষয়টি আমার জন্য বেদনাদায়ক আমাকে চাকরি দেওয়ার কারণটা কি ছিল আবার চাকরি চুত করার কারণকি ছিল কিবা আমি তার বিচারই পাব কোথায়। বেকার জীবনের অবসান ঘটছে বলে মনে করে কতইনা আশায় বেঁধে আমি চাকরিতে যোগদান করেছিলাম আমার ফ্যামিলির সবাই খুশি হয়েছে যে আমি চাকরিতে যোগ দিয়েছি এমত অবস্থায় আমার চাকরি চতু করাতে খুবই মন্মাহত আমি ফ্যামিলিতেও এ বিষয়টি জানাতে পারছিলাম না রেল গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলাম কিন্তু তাও পারিনি। একটি যুবক ছেলের বেকার থাকা অভিশপ্ত জীবন যা একটি চাকরি পেলেই তার অভিশপ্ত জীবনটি কেটে যায় নিজ ফ্যামিলিতে ছোট হয়ে থাকতে হয়। আত্মহত্যার পথ থেকে ফিরে এসে তানভীর আহমেদ বলেন আমার সাথে এমন হয়েছে মেনে নিতে পারছি না তাই আমি বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন মহোদয় দৃষ্টি আকর্ষণ এবং সুনির্দিষ্ট বিচার পাওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে অনুরোধ করব।
এ বিষয়ে মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারের এর পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে আলাপকালে তিনি ঘটনা সত্য স্বীকার করে তিনি বলেন উনাকে চাকরি দিয়েছিলাম কিন্তু আমিও এখানে পরিচালক হিসেবে কর্মরত কিন্তু মালিকপক্ষের উপরে তো যাইতে পারিনা। তিনি আরো জানান মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত বাইরে যাইতে পারি না বিধায় মালিকপক্ষের কথা অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে চাকরি চুত করা হয়েছে মালিক পক্ষ থেকে অন্য আরেকজনকে নিয়োগ দিয়ে রেখেছিল আমার তা জানা ছিল না আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে অসুস্থ করেছিলাম অন্য কোথায় চাকরি নিয়ে দেব।