
আমতলীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এইচ এম মনজুরুল
ইসলাম রিফাতের উপর হামলার ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইসফাক আহমেদ তোহার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়া নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে । উপজেলা ছাত্রলীগ প্রথমে দলীয় প্যাডে ইসফাক আহমেদ তোহাকে সাময়িক বহিস্কার,তারপর একই দিনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদক দলীয় প্যাডে ইসফাক আহমেদ তোহাকে দলীয় সকল
কার্যক্রমে স্থাগিত করেন। এবং বহিস্কারের জন্য জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সম্পাদক বরাবর সুপারিশ পত্র প্রেরন করেন।
অপর দিকে আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মো. বেলাল হেসেন বাপ্পী দলীয় প্যাডে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র ১৭(ক) অনুচ্ছেন অনুযায়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারন
সম্পাদকের উপজেলা ছাত্রলীগের কোন সদস্যকে বহিস্কার করার এখতিয়ার নাই ।কেউ বিভ্রান্তি হবেন না এবং গুজবে কান দিবেন না বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এইচ এম মন্জুরুল ইসলাম রিফাত অভিযোগ করেন বলেন ছাত্র রাজনীতি করতে হলে ইসফাক আহমেদ তোহাকে মাসিক চাঁদা দিতে হবে। চাঁদা না দিলে তাকে রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেন ত্বোহা। টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ইসফাক আহমেদ তোহা তার ওপর অতর্কিত হামলা করেছে।
অপর দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইসফাক আহমেদ তোহা জানান, গত ২২ অক্টোবার সপরিবারে আমতলী ব্লোকে ঘুরতে যাই। তখন আমার সাথে থাকা ফুপাতো বোন
কে উত্ত্যাক্ত করে, রিফাতের সহযোগি ইমরান আমি এই বিষয়ে প্রতিবাদ করলে রিফাত আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় ।
পরবর্তীতে আমি ২৩ অক্টোবার সন্ধ্যায় দুর্গা পুজা দেখার উদ্দেশ্য
আমতলী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে গেলে রিফাত ও তার সহযোগী মাদকাসক্ত ইমরান তাদের সাথে থাকা সন্ত্রাসীরা আমার উপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে মারধোর করে আহত করে । এ সময়
আমার পকেটে থাকা একটি অপপো স্মার্ট ফোন ও মানিব্যাগে থেকে ১৯ হাজার ৭৫ টাকা ও কিছু জরুরি কাগজ পত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ইসফাক আহমেদ তোহা আরো বলেন, আমি
বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তাদের অব্যাহত হুমকিতে আমার পালিয়ে চিকিৎসা নিতে
হচ্ছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল মতিন খান বলেন, সহসভাপতি এইচ এম মন্জুরুল ইসলাম
রিফাতের উপর হামলার অভিযোগে ইসফাক আহমেদ ত্বোহাকে দলীয় সকল কার্যক্রমে স্থগিত করা হয়েছে।
প্রথমে সাময়িক বহিস্কার তারপর স্থাগিত এবং উপজেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক কর্তৃক দলীয় প্যাডে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন । এ প্রসঙে আব্দুল মতিন খান বলেন ত্বোহাকে দলীয় সকল কার্যক্রমে স্থগিত করা হয়েছে এবং দপ্তর সম্পাদকের সভাপতি সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিতে পারেন না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা নেতৃবৃন্দদের অবহিত করেছি।
বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো.রেজাউল করিম রেজা বলেন আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে ছোটখাটো একটা ঘটনা ঘটেছে বিষয়টি আমরা জেনেছি তদন্ত করে উক্ত বিষয় সমাধান করা হবে।