ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময়
পঞ্চগড় সড়কে বিআরটিএ ও যৌথবাহিনীর অভিযান
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
‘ভাই’ সম্বোধন করায় সাংবাদিককে সাবেক সেনা কর্মকর্তার হুমকি

সততা ও কর্মদক্ষতার প্রতীক পিআইও আনিচুর রহমান

ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত শান্ত, নম্র ও ভদ্র প্রকৃতির  বালকটি আজ রূপসা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। জন্ম তার ১৯৭৯ সালে নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার বাঐসোনা  ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে। স্থানীয় ডিএফ রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়ালেখার হাতে খড়ি।  তিনি জেডিএন হাই স্কুল থেকে এসএসসি বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে কৃতিত্বের সাথে  ১৯৯৮ সালে উত্তীর্ণ হন।

এইচএসসিতেও প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। এরপর ঢাকা আইইউবিএটি ইউনিভার্সিটি হতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ জিপিএ-৩ নিয়ে সফলতার সাথে পাস করেন। এবং ২০২২ সালে খুলনা kuet হতে এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টেও জিপিএ-৩ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। তার পিতা আহম্মদ হোসেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সক্রিয় বীর সৈনিক ছিলেন।

কর্মজীবনে তিনি মানবসেবার ব্রত নিয়ে চিকিৎসা পেশাকে বেছে নেন। তিনি এলাকার একজন মানবিক ও মানুষের বন্ধু ডাক্তার হিসেবে বহুল খ্যাত। রাত-দিন যে যখনই তাকে চিকিৎসার জন্য ডেকেছেন তারই চিকিৎসার জন্য তিনি ছুটে চলেছেন। কখনো টাকার কথা চিন্তা করেননি। অসহায় রোগীদের পাশে থেকে তাদের সেবা করে জীবনে আজ শেষ মুহূর্তের দিকে ধাবিত হচ্ছেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আনিচুর রহমান ।

তিনি নড়াইলের একজন কৃতি সন্তান। ছাত্র জীবন, পারিবারিক জীবন ও কর্মজীবনে তিনি কৃতিত্বের অনেক অনবদ্য অবদান রেখে চলেছেন।  আনিচুর রহমানের কর্মজীবন শুরু হয় ২০১১ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের  অধীনে খুলনা জেলার বটিঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে। সেখানে তার কর্ম দক্ষতা ও নানাবিধ যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে আজও তিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা বাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে। বর্তমানে তিনি ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ২৩ তারিখে রূপসা উপজেলায় যোগদান করেন। যোগদান করে যুগান্তকারী ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এবং তার সততা ও উদারতার জন্য রূপসা বাসির মাঝে আনিচুর রহমানের সুনাম জল জল করছে।

আর এ সময়ে তার বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্তস্থাপন করে ইতিমধ্যে তিনি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতা ও মানবিকতার যুগান্তকারী পদক্ষেপ  হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস করে দেয়া, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের  বাড়ি করে দেওয়া।
যা বাস্তবায়নে ও তদারকিতে বিশেষ অবদান রেখে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন পিআইও মোঃ আনিচুর রহমান। সৎ সাহস ও সদিচ্ছা থাকলে একদিন কঠিন কাজেও  সফলতা অর্জন করা সম্ভব সাম্প্রতিক সময়ে তার কর্মকাণ্ডের এমন দৃষ্টান্তস্থাপন করেছেন তিনি। যে কারণে রূপসাবাসি ও উপজেলা প্রশাসন  প্রকল্পের উন্নয়ন ও সঠিক বাস্তবায়নে তাদের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে খুঁজে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা কে। তার সততা, কর্মদক্ষতা ও অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্রমান্বয়ে বদলে গেছে উপজেলার পিআইও শাখার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উপজেলার প্রতিটি উন্নয়নের কাজকে বাস্তবায়ন করে উপজেলাকে একটি উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষে তিনি প্রতিটি প্রকল্পের কাজ স্ব- শরীরে পরিদর্শন করে সকল প্রকার উন্নয়নে জনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করছেন। তার কার্যালয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত দ্বার হিসেবে পরিণত করে রেখেছেন পিআইও  মোঃ আনিচুর রহমান ।

দাপ্তরিক কাজের বাহিরের  ছুটে বেড়ান উপজেলার সব প্রান্তরের প্রকল্প স্পটে স্বচ্ছতা দেখভাল করতে।   প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল উন্নয়ন সেবা নিজ তত্ত্বাবধানে মানসম্মত করতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন এই কর্মকর্তা।  উপজেলার মসজিদ -মন্দিরসহ কাবিখা, টিআর প্রকল্প গুলো সব সরেজমিনে গিয়ে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত দেখে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিআইও আনিচুর রহমান। তার এমন নজরদারির ফলে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে খুলনা জেলার গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার রূপসার প্রতিটি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট,ড্রেন, কালভার্ট  । যে কারণে তিনি স্বল্প সময়ে উপজেলার সবার মাঝে হয়ে উঠেছেন এক অসাধারণ গুণের মানুষ।

এ বিষয়ে ঘাটভোগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার ওয়াহিদুজ্জামান মিজান বলেন, এত ভালো, নম্র-ভদ্র পিআইও অতীতে দেখিনি। তিনি অসহায় এবং গরীব মানুষের প্রকৃত বন্ধু। অন্যায় এবং অসৎ ব্যক্তিদের কখনোই প্রশ্রয় দেয়না। যার কারণে সাধারণ মানুষ তার প্রতি আস্থা পেয়েছেন। এক কথায় তিনি একজন সততা এবং কর্মদক্ষতার  প্রতীক। তিনি কখনো কোন অন্যায় কাজের সঙ্গে আপোষ করেন না। তিনি প্রত্যেকটি কাজের তদারকি করেন সশরীরে। এইতো কিছুদিন আগে সৌদি থেকে কুরবানীর দুম্বার মাংস  এসেছিল রূপসা উপজেলায়। দুস্থদের মাঝে সেই মাংস  বিতরণে

তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে সমাজসেবা অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এতিমখানার তালিকা নিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গদের কাছে সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে পরিমাণ মাংস  এসেছিল তা বিতরণ করে সকলের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছেন । এক্ষেত্রে তিনি কোন স্বজন প্রীতি বা অনিয়মের প্রশ্রয় নেননি ।নিয়ম অনুযায়ী  যাদের প্রাপ্য, তাদের মাঝে সুষম বন্টন করেছেন।  এ বিষয়ে দুম্বার মাংস  বিতরণের দিনে প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক ফ,ম আইয়ুব আলী বলেন, যেদিন দুম্বার মাংস  এসেছিল সেদিন আমি উপস্থিত থেকে দেখেছি। যে অল্প পরিমাণ মাংস এসেছিল তা প্রাপ্যদের মাঝে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ রূপসা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান স্যারের নির্দেশক্রমে আমাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নিজে দাঁড়িয়ে প্রাপ্যদের মাঝে বিতরণ করেছেন। আমার দেখা মতে এবারই ভিন্নভাবে সুষ্ঠ প্রক্রিয়ায় এ মাংস  বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের এই কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ভাই উপজেলায় যোগদানের পর থেকে প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। তিনি সততা ও মানবিকতার সহিত প্রতিটি কাজ বাস্তবায়ন করে চলছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নের দপ্তরটি মানবসেবা ও উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সত্যি কথা বলতে কি আমাদের সরকারি চাকুরীজীবীদের নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নেই,সুনির্দিষ্ট কোনো পরিধি নেই,জনগণকে সেবা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ‍্য। তবে যে কোন আপদ কালিন সময় মানুষের পাশে আমাদের সর্বোচ্ছ দিয়ে দাঁড়াতে হবে বলে আমি মনে করি  । আমি ব্যক্তিগতভাবে ছকে বাঁধা দায়িত্ব  পালনের পাশাপাশি জনগণের মঙ্গল হয়, ভালো হয় সেটাই করার চেষ্টা করছি। তবে খুলনা-৪ সাংসদ আব্দুস সালাম মূর্শেদী স‍্যার,খুলনা জেলা প্রশাসক স্যার,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স‍্যার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের ঐকান্তিক সহযোগিতায় প্রতিটি কাজ করা সহজ হয় বলে মনে করি।
ক্লীন ইমেজের এই  কর্মকর্তা  মোঃ আনিচুর রহমান সকলের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকবে চিরকাল এই প্রত্যাশা রূপসা বাসির গণমানুষের। জয় হোক মানবতার

শেয়ার করুনঃ