ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
নড়াইলে বিএনপি নেতা সান্টুর উপর ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
লাখো পর্যটকের সমাগম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। শতভাগ হোটেল মোটেল বুকিং
আমতলীতে কুপিয়ে স্ত্রীর হাত কর্তন করলেন নেশাগ্রস্থ স্বামী
হোমনায় যুবকের ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মোদির সঙ্গে কথা বললেন ড. ইউনূস
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
ঈদ পরবর্তী বিআরটিএর বিশেষ অভিযান: ৬ লাখ ৮৭ হাজার জরিমানা,২৮৯ মামলা
রায়পুরে আ’লীগ বিএনপির যৌথ হামলায় নারীসহ আহত ৫
পাঁচবিবিতে শিক্ষার্থী সমিতির স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন
মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন

দশমিনায় ঘুষ বানিজ্যে সত্যকে মিথ্যা করে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন: প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ঘুষ বানিজ্যে সত্যকে মিথ্যা করে দশমিনা থানা পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল রোজ রোববার বেলা ১২টার সময় উপজেলার গালস্ স্কুল সংলগ্ন নিজ বাস ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এসময় ভুক্তভোগী মোসা. হাসনা হেনা লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, আমার ঘরে অনধিকার প্রবেশ করে শারীরিক নির্যাতন ও ঘরের মালামাল ভাঙচুর এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন সিকদার আব্দুল মালেক। পরে আমার ছোট পুত্র সন্তান ওলিউল্লাহের ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল পটুয়াখালী আদালতে আমি হাসনা হেনা বাদী হয়ে আব্দুল মালেককে আসামি করে মামলা দাযের করি। আদালত সন্তোস্ট হয়ে দশমিনা থানা পুলিশকে এজাহার নেয়ার নির্দেশ দেন। পরে থানা পুলিশ মামলার আসামির থেকে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্য করে এবং আমার সত্য ঘটনাকে মিথ্যা বানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। আমি থানা পুলিশের বিচার দাবী জানাই এবং পুনোরায় তদন্ত ও সত্য ঘটনার সাথে জড়িত সিকদার আব্দুল মালেক এর বিচারের দাবী জানাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী হাসনা হেনা, স্বামী মো. তুহিন ইসলাম, প্রত্যক্ষদর্শী মোসা. রোজিনা বেগম ও মরিয়ম বেগম।

শেয়ার করুনঃ