
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন।
শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি দেশ দিয়েছেন। সেই কল্যাণে আজ আমরা মন্ত্রী। আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ ও ঋণী আপনারা আমাকে চারবার বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সেলিম শেখের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনায় উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী নিযুক্ত করেছেন। এটা একটা বড় মন্ত্রণালয়, কাজের জায়গা। আমি ইতিপূর্বে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমার পরিকল্পনার কথা বলেছি। আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য একটি নান্দনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া বির্নিমাণে আমি কাজ করবো। নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করবো। জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উচ্চতর আসনে স্থান পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছেন।
এর আগে তিনি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছিনতাই-চাঁদাবাজি বন্ধ ছিলো। হঠাৎ করে কেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছিনতাই-চাঁদাবাজি বেড়েছে তা আমার বোধগম্য নয়।
গণ সংবর্ধনা ও মাসিক আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন মাউশির সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন, সাবেক পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজী হেলাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু প্রমুখ।
এর আগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি সদর উপজেলার ঘাটুরা থেকে শিমরাইলকান্দি শেখ হাসিনা সড়ক নির্মানসহ ২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে ৩১ কোটি টাকা।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা, ইউপি সদস্যরাসহ জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।