লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৯নং দক্ষিণ চরআবাবিল ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের উদমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আমিন আহমেদ সপরিবারে দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় থেকে স্কুল পরিচালনা করেন এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মনির হোসেন, শাহাবুদ্দিন মাস্টার ও প্রধান শিক্ষক মোঃ ফিরোজ আলমের বিরুদ্ধে স্কুল উন্নয়নের নামে অর্থের বিনিময়ে প্যানেল করে জাল সনদে আয়া, নাইট গার্ড পদে চাকুরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অফিস সহায়ক পদে স্বজন প্রীতি ও প্যানেল করার মাধ্যমে চাকরি দেওয়া, পপি বই কোম্পানির থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পপি গাইড পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । এরই সূত্র ধরে রায়পুর উদমারা উচ্চ বিদ্যালয় নিয়োগ বানিজ্যেসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ অনুরূপ শিরোনামে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ দেশের শীর্ষে থাকা জাতীয় দৈনিক সকালের সময়, জাতীয় দৈনিক নাগরিক ভাবনা, জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার সহ স্থানীয় ও অনলাইন নিউজ প্রোটালে বেশ কয়েকটি নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। নিউজ প্রকাশের অনেকদিন কেটে গেলেও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
অভিযোগের বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর উপজেলা মাধ্যবিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম কি ব্যবস্থা নিয়েছেন জানতে চাওয়া হলে? তিনি মুঠোফোনে বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে যেহেতু কোন অভিযোগ নেই, তবুও আমাকে নিউজের আলোকে চিঠি তৈরি করতে হবে এটা আমার মাথায় আছে। আমি এই সপ্তাহের মধ্যেই ঐ স্কুলে জাস্ট একটা চিঠি দিবো। চিঠিতে আমার তো কিছু করনীয় নেই। তাদের কাছে অভিযোগের বিষয়ে একটা লিখিত ব্যাখ্যা চাবো এইটুকুই।
তাদের উপর যে অভিযোগগুলো আছে তারা তো তা স্বীকার করবে না। আর সভাপতি যে বিদেশে থাকে তাতো আমরা জানি। সবাই জানে। ভবিষ্যতে যেন এরকম সভাপতি না হয় সেটা নিয়ে যা যা করার আর কী? আর নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণ সভাপতি দেখবে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখব সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থ নেওয়া হবে। আপনারা আমাকে চাপ না দিয়ে আপনারা সে স্কুলে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবার যান। আপনারা এ বিষয়টি আমাকে বারবার চাপ দিচ্ছেন কেন? আপনারা এটার পিছনে পড়ে আছেন কেন? এটাকে এতো ফলোআপে রাখছেন কেন? আপনারা আবার ঐ স্কুলে যান তাদের সঙ্গে দেখা করেন। তারা কী বলে সেটা শুনেন।
এটার পিছনে হেঁটে লাভ কী? আজ ২৫ অক্টোবর এ বিষয়ে জানতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে, তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমাকে আর ফোন না দিলেই ভালো। আমি ওনাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি। ওনারা কী ব্যাখ্যা দেয় সে আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়োগ দিয়েছে নিয়োগ কমিটি। এটা নিয়ে আমার কাছে আর জানতে চাইয়েননা। স্কুলে গিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। তাদের থেকে জানতে পারবেন। সাত দিনের মধ্যে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। "