
ডেস্ক রিপোর্ট:
একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির চির প্রেরণা ও অবিস্মরণীয় একটি দিন। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, এখন এটি সারা বিশ্বের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।
জাতির জীবনে শোকাবহ, গৌরবোজ্জ্বল, অহংকারে মহিমান্বিত চিরভাস্বর এই দিনটি। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ। একুশে ফেব্রুয়ারি ভাঙালি জাতিসত্তার শেকড়ের অনুপ্রেরণর দিন। এই দিনটি ঐতিহ্যের পরিচয়কে দৃঢ় করেছে। বাংলা ভাষার রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসন লাভ করেছে।
মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আগামীকাল ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং রোজ শুক্রবার বেলা সাড়ে তিন টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সন্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ।
উক্ত অনুষ্ঠানে সামাজিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস সভাপতিত্ব করবেন বলে সামাজিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
ডা. সারওয়ার আলী, প্রেসিডিয়াম সদস্য, খুশী কবীর, প্রেসিডিয়াম সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এস.এম.এ সবুর, প্রেসিডিয়াম সদস্য, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম সদস্য, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশ নেবেন বলে জানা যায়।
অনুষ্ঠানে গণসংগীতের আয়োজন করা হয়েছে। গন সংগীত পরিবেশন করবেন আনন্দন সাংস্কৃতিক সংগঠন।
মাতৃভাষার সুরক্ষা, বিকাশ এবং অনুশীলন ছাড়া কোনো জাতি অগ্রসর হতে পারে না, বাঙালি জাতি তো নয়ই। আর এভাবেই বাংলা ভাষা দিনে দিনে হয়ে উঠছে বিশ্বায়নের অন্যতম মাধ্যম। তাই দিবসটি পালনে উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ সকল শ্রেণীর মানুষের উপস্থিতি কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃত এবং ২০১০ সালে জাতিসঙ্গের সাধারণ পরিষদ ‘এখন’ থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হবে’ প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আর এভাবেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া চলমান।