দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলাধীন ছোট যমুনা নদী খননের বালি ও মাটি বিক্রির মেয়াদ বৃদ্ধির কারণে ছোট যমুনা নদীর হোসেনপুর বালু মহাল ইজারা গ্রহণকারী মাহবুব আলম বকুল ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মর্মে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন এর নিকট গত বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বিরামপুর কলেজ বাজারের মাহবুব আলম বকুল বাংলা ১৪৩০ সনের ১লা বৈশাখ হতে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য ছোট যমুনা নদীর হোসেনপুর বালু মহাল ইজারা গ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি বালু উত্তোলন করে আসছেন।
অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তির মাধমে একই নদীর কাটলা ইউনিয়ন থেকে বিরামপুর পৌরসভা পর্যন্ত ১২.১০০ কিলোমিটার নদী পুন:খননের মাধ্যমে বালু ও মাটি বিক্রির জন্য দিনাজপুর উপ-শহরের মেসার্স মাহ এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ প্রদান করেছে। ঐ কার্যাদেশে তিন মাসের মধ্যে বালু ও মাটি অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বালু ও মাটি বিক্রি করতে ব্যর্থ হলে নিলাম উপ-কমিটি পুন: দরপত্রের মাধ্যমে বালু মাটি বিক্রি করবে। ঐ সময়ের বালু ও মাটি বিক্রিতে ব্যর্থ শাহ এন্টারপ্রাইজ বালু/মাটি বিক্রির সময় বৃদ্ধির আবেদন করে।
সেই মোতাবেক কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি থেকে ৬ মাসের সময় বৃদ্ধি করেছে। এই সময় বৃদ্ধির কারণে উপরোক্ত ছোট যমুনা নদীর হোসেনপুর বালু মহাল ইজারা গ্রহণকারী মাহবুব আলম বকুল অপূরনীয় ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। একারণে শাহ এন্টার প্রাইজের বালু ও মাটি বিক্রির মেয়াদ বৃদ্ধির কার্যাদেশ বাতিল করে ছোট যমুনা নদীর হোসেনপুর বালু মহাল ইজারা গ্রহণকারী মাহবুব আলম বকুলকে সরকারি স্বার্থ মোতাবেক ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।