ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবীণ আওয়ামী লীগের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহাম্মদ আর নাই। দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থতা ছিলেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক ড: এবি শরফুদ্দিন আহমেদ এর আপন বড় ভাই। তিনি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমী দেরাদুন থেকে মুজিব বাহিনী (বিএলএফ) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। ইতিপূর্বে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমাবকছিলেন ছাত্রলীগের ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৯ সন পর্যন্ত দুই দুইবার সভাপতি, ঐতিহাসিক ৬ দফা ও ১১ দফা আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৬৪ সালে নিরাপত্তা আইনে ও ১৯৭০ সালে সামরিক আইনের ১৬ ধারায় কারাবরণ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৩ সালে নবগঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুব লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন জেলা কমিটির আহবায়ক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা হিসেবে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করিয়া আসছি লেন।
বর্তমানে শারিরীকভাবে কিডনী, লিভার, রেসপেরেটরি, পালমোনলজি সহ বিবিধ রোগের চিকিৎসাগুরুতর অসুস্থ্য হয়ে ঢাকায় দীর্ঘচিকিৎসা করেছি। অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগন, উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের হায়দারাবাদে “এ আই জি” হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
চিকিৎসায় অবস্থা অবস্থায় তার ইন্তেকাল করেন। বুধবার সকাল ৮টায় ইন্তেকাল করেন তার নিজ বাসভবনে পরিবারের বড় ছেলে সালাউদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বাদ জহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্ত মঞ্চের মাঠে জানাজা নামাজ শেষে দাফ করা হবে বলে জানান।
পরে জোহর নামাজ বাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্তমঞ্চের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা সম্পূর্ণ হয়। জোহরবাদ নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় পরবর্তী জানাজার নামাজ আশুগঞ্জে আড়াইসিতা তার নিজ গ্রাম বাড়িতে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।