
মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষকালীন সময়ে এপারের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম এবং পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা বিপিএম (বার), পিপিএম সেবা।
সরকারের এ দু’কর্মকর্তাদ্ধয় সীমান্তে সংঘাতপুর্ণ পরিস্থিতিতে ঘুমধুম ও উখিয়া মিয়ানমার সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষরা আতংকে রয়েছেন বলে জেনে তাদের অভয় দেন এবং সীমান্ত লাগোয়া এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
সোমবার (১২-ফেব্রুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি দুই জেলার সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।এসময় সফর সঙ্গী হিসেবে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা, উপজেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরিদর্শন কালে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন,সংঘর্ষ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।সীমান্ত লাগোয়া ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরিক্ষার কেন্দ্র সরিয়ে নিয়ে উত্তর ঘুমধুমের ২টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।চট্রগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি নুরে আলম মিনা বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিজিপি’র সদস্যদের ফেরত পাঠাতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা হচ্ছে। সীমান্তে প্রতিটি বাহিনীর গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের গ্রেফতার পুর্বক থানায় সোপর্দ করে বিজিবি।আমরা মামলা নিয়েছি।রিমান্ড এবং তদন্ত প্রতিবেদন সহ ধাপে-ধাপে আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।