
ডেস্ক রিপোর্ট : বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের জীবনে জন দুর্ভোগে নাভিশ্বাস নেমে এসেছে, ব্যাংকিং খাতগুলো অনিয়মের আখড়ায় পরিনত হয়েছে। এজন্য ব্যাংকিং কমিশন গঠন করা দরকার। মানুষের জীবন -জীবিকা সংকোচনের পাশাপাশি জাতীয় জীবনে নানান ধরনের সংকট দেশবাসীকে হতাশায় নিমজ্জিত করছে, ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বৃহত্তম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশের মধ্য দিয়ে যে সকল তথ্য উপাত্ত সামনে আসছে তা খুবই বেদনাদায়ক ও হতাশার, একই সাথে নারী নির্যাতন ও মাদকের বানিজ্য গড়ে উঠার দায় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ব বিদ্যালয় প্রশাসন এড়াতে পারেন না। কি করে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে অছাত্র ও বহিরাগতরা বছরের পর বছর অবস্থান করে তা খুঁজে বের করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য বিশিষ্ট নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার।
আজ বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস,সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ডা, সারওয়ার আলী, এস এম এ সবুর, এডভোকেট রানা দাদগুপ্ত,রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, কাজল দেব নাথ, জয়ন্তী রায়, ডাক্তার অসিত বরন রায়, অধ্যাপক জোবায়দা নাসরিন,, , সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,জহিরুল ইসলাম জহির, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, আলোক দাস গুপ্ত, রেজাউল কবির, ইয়াসরেমিনা বেগম সীমা,রিয়াজুল ইসলাম লিটন, ইসমাইল হোসেন, ,হান্নান চৌধুরী, সাজেদুল আলম রিমন, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল ওয়াহেদ, আজিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনির,গৌতমশীল, আমান উল্যা আমান,প্রমূখ।
সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ও আবারও গণধর্ষণের ঘটনায় আমাদের ব্যথিত করছে, আমাদের প্রশ্ন হলো কোন পথে হাঁটছে দেশ। মূলত নীতিনৈতিকতাহীনতা ও অশোভন কর্মকান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই এই সকল লম্পটতা এরা দীর্ঘ সময় থেকে দেশে মাদক থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে তাদের অপকর্ম চালিয়ে এখন সভ্যতার সকল সীমানা অতিক্রম সমাজে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। আমরা সকল প্রকার নারী-নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর দ্রুত সময়ে শাস্তির দাবী জানাই, মাদক চোরাচালান সহ এদের গডফাদারদের তালিকা প্রস্তুত করে এদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির দাবী জানাই। সভায় বিগত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী সময়গুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠিত সহিংসতা, লুটপাট, ভাংচুর-সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলাও ঝিনাইদহ জেলায় একজন সংখ্যালঘুকে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় আরো বলা হয় , মূলত বিগত সময়গুলোতে দেশের সকল ব্যবসা বানিজ্যে মাফিয়া লুটেরা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণের যে সংস্কৃতি তা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে আমরা মনেকরি। দেশের স্থিতিশীলতা,স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখাও, সামপ্রদায়িক অপশক্তি নিয়ন্ত্রণে সরকারের এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে, পাশাপাশি সম্প্রতি মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ও মিয়ানমারের অভ্যন্তরিন সংকট পরিস্থিতিতে আমাদের দেশের সীমানায় মটার সেলে নিরীহ মানুষের মৃত্যুর ঘটনা দেশের স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অসহিষ্ণু করে তুলবে বলে মন্তব্য করা হয়, উপরিউক্ত বিষয়ে মিয়ারমারের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়।
সভায় আগামী মার্চ ২০২৪ এর প্রথম সপ্তাহে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে করনীয় নির্ধারনে সমাজের সকল শ্রেনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক আলোচনা সভার আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বার্তা প্রেরক, বিপ্লব চাকমা, দফতর সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।