
মাদকের করাল গ্রাস থেকে কিশোর- যুবকদের রক্ষা করতে হবে, সমাজ রক্ষা করতে হবে। এ দুই শ্রেণীর লোকদের রক্ষা করতে পারলেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে এক নতুন আলোর দিগন্ত।
মাদকের বিরুদ্ধে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জহির ইমাম ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবিরের কঠোর অবস্থানে অনেক মাদক ব্যবসায়ী গাঢাকা দিয়েছেন।উপজেলা প্রশাসন ও কালীগঞ্জ থানা পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের কারাদণ্ডের ঘটনায় এখন তারা রয়েছে চরম আতঙ্কে। অনেক ব্যবসায়ী রয়েছেন আত্মগোপনে।মাদকের আস্তানাগুলো এখন অনেকটা শূন্য প্রায়। আগের মত নেই মাদক ব্যবসায়ীদের সেই দাপট আর মাদকসেবীদের আনাগোনা। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা প্রশাসন এবং থানা পুলিশের ব্যাপক অভিযানের কারণে আস্তানা ছেড়ে আত্মগোপন করেছে বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায়ী।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহির ইমাম যোগদানের পর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে একের পর এক মাদক কারবারি, সেবনকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং জরিমানা করে আসছেন। এতে মাদকসেবী ও কারবারিদের দৌরাত্ম দিন দিন অনেকটাই কমে যাচ্ছে । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরাসরি এ ধরণের অভিযান এই উপজেলার ইতিহাসে হয়নি বলে মনে করছেন সচেতন মহলের অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির বলেন ,মাদক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে। মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে আমরা ইতিমধ্যেই কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করেছি,বাকিদের গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদক বিরোধী সহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ড ও চোরাচালান প্রতিরোধে থানা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহির ইমাম বলেন, মাদক একদিকে যেমন কর্মঠ মানুষকে কর্মক্ষম বানিয়ে তোলে, অপরদিকে নানা ধরণের অপরাধ বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ একটি জাতিকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পংঙ্গু করে দেয় এই মাদক। মাদক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে মাদক নির্মূলে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।