
রাজধানীর খিলক্ষেত থানাথীন এলাকা থেকে চাঞ্চল্যকর কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. সোহেল রানাকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানান র্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. পারভেজ রানা।
তিনি বলে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের পাগলা থানা এলাকায় রাতের বেলায় খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ার পর রাত ১১টার দিকে মামলার বাদীর ১৩ বছরের কিশোরী প্রকৃতির ডাকে ঘরের পাশে টয়লেটে যায়। টয়লেটের পাস থেকে উৎপেতে থাকা আসামি সাব্বির হোসেন, মনির, সোহেল ভুক্তভোগী কিশোরীর মুখ চেপে ধরে পাশের ঝোঁপের ভেতর নিয়া যায়। সেখানে ঝোঁপের ভেতর সাব্বির হোসেন জোর করে ধর্ষণ করে।
এ সময় অন্যান্য আসামির মধ্যে মনির মিয়া ও সোহেল রানা ঘরের পেছনে দাঁড়িয়ে পাহাড়া দেয়, যাতে কেউ না আসতে পারে। পরে এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আরও বলেন, ঘটনার দুদিন পর ভুক্তভোগী তার চাচীর কাছে সেদিনের রাতের ঘটনা খুলে বলে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর বাবাকে বিষয়টি জানালে মীমাংসার জন্য আসামিরা সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। ধর্ষণের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন সাগরকে জানালে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মা আসামিদের বিরুদ্ধে পাগলা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে পাগলা থানার ওসি র্যাব-১ এর অধিনায়কের কাছে মামলার আসামিদের গ্রেফতারের জন্য লিখিত আবেদন করেন। আসামিদের গ্রেফতারে দ্রুততার সঙ্গে র্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি সোহেল রানা রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-২ মায়ের দোয়া হোটেল অ্যান্ড নোয়াখালী রেস্টুরেন্ট এলাকায় অবস্থান করছে। সেখানে আভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪৬০ টাকা উদ্ধার কার হয়। গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
ডিআই/এসকে