শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দক্ষ চিকিৎসকের অভাবে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। জানা গেছে, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অপারেশন থিয়েটার ও যাবতীয় যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু জুনিয়র কনসালট্যান্ট এ্যানেসথেসিয়া না থাকায় সিজার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ উপজেলার ২ লাখ দরিদ্র নিপিড়ীত মানুষের চিকিৎসা ভরসাস্থল হলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। জানা গেছে, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন অসংখ্য সিজারের রোগীরা সেবা নিতে আসেন। কিন্তু গত প্রায় ১ বছর ধরে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট এ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক নেই। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীরা কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই জুনিয়র কনসালটেন্ট এ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রয়েছে। কিন্তু সিজারের ব্যাবস্থা না থাকায় তারা বসে বসে বেতন ভাতা নিচ্ছেন। এ ছাড়া এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট মেডিসিন চিকিৎসক না থাকায় সেবা নিতে আসা রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজিব সাহা বিশেষ ব্যবস্থায় জোড়া তালি দিয়ে মাঝেমধ্যে সিজার কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজিব সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চিকিৎসক সংকট দুরীকরনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। চিকিৎসকের পদ পুরন হলেই রোগীদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।