
ডেস্ক রিপোর্ট : সহিংসতার মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায়। এরপর থেকে চলছে ভোট গণনা। প্রাথমিকভাবে আংশিক ফলাফল আসতে শুরু করে ১২ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকাল থেকে। ইতোমধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নিজেদের জয়ী ঘোষণা করে আজ দুপুরে বিবৃতি দিয়েছে।
দলটি জানিয়েছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্যে ১৩৩ আসনে জয়ের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছেন দলটির সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দেশটির জাতীয় পরিষদের (এনএ) ২৬৫ আসনের মধ্যে তারা জিতেছেন ১৫০টি আসন। কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রদেশ পাঞ্জাব এবং খায়বার পাখতুনখোয়াতে পিটিআই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের খসড়া ফলাফল ফর্ম-৪৫ এর তথ্য অনুযায়ী এমনটি দাবি করে পিটিআই।
বিবৃতিতে দলটি আরও জানিয়েছে, ফলাফল ঘোষণা বিলম্ব করার মধ্যে দিয়ে পিটিআইয়ের নিরঙ্কুশ জয়কে পাল্টে দেয়ার মতো বড় ধরনের কারচুপি করছে নওয়াজ শরিফের দল, যার নেপথ্যে রয়েছে দেশটির প্রভাবশালী সশস্ত্র বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে ইন্ডিয়া টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক গণনায় ১২৫ আসনে এগিয়ে রয়েছেন ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে ৪৪ আসনে এগিয়ে রয়েছেন আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজের শরিফের দল মুসলিম লিগ (পিএমএল-এন) প্রার্থীরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের দেয়া খবর অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২১টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এছাড়া দেশটির সাবেক আরেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল এবং পিটিআইর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজ (পিএমএল-এন) পেয়েছে ১২টি আসন। আর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৮টি আসন। এদিকে, মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার দাবি করেছেন ইমরান খান। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক্সে দেয়া ওই পোস্টে ইমরান লিখেছেন, নির্বাচনে জনমত ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রতিটি সম্ভাব্য পদ্ধতি অবলম্বন করা সত্ত্বেও জনগণ পিটিআইকে ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছে। যেমনটি আমরা বারবার বলেছি, কোনো অপশক্তি আমাদের পরাজিত করতে পারবে না। খবর ডেকান হেরাল্ড।