
ডেস্ক রিপোর্ট :
‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি’- প্রতিপাদ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৪ পালিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দুপুর ১টার দিকে ঢাবির অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে এক আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করায় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘লাইব্রেরি হল জ্ঞানের ভাণ্ডার। বই পড়ার মাধ্যমে পৃথিবীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, মানবতার প্রকাশ সর্বোপরি নিজের সম্পর্কে জানা যায়। বর্তমানে দেশে ৭১টি পাবলিক লাইব্রেরি রয়েছে। সব পর্যায়ের মানুষের জন্য শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি কিংবা ব্যক্তিগত পর্যায়ে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন। এ সময় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)
গ্রন্থাগারে বই পড়ি/ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস- ২০২৪ উপলক্ষ্যে সোমবার বিকালে (৫ ফেব্রুয়ারি) দিবসটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এরপর দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তিনি বক্তব্যের শুরুতে মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। গ্রন্থাগারের তাৎপর্য তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, কোনো একটি জাতিকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে এবং ইতিহাস, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্পর্কে জানার জন্য জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই আর এই জ্ঞানচর্চার আধার হলো গ্রন্থাগার। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ার জন্য সবাইকে বেশি বেশি বই পড়ার আহবান জানান। এক্ষেত্রে তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শনকে জানার জন্য তাঁর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়া চীন- এ বইগুলো বেশি বেশি পড়তে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেন। এছাড়া তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
পরে উপাচার্য কোহ্য ও ইনস্টিটিউশনাল রিপোজিটরি নামের দুটি অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে লাইব্রেরী ভবনের দ্বিতীয় তলায় সম্পসারণ ও আধুনিকায়নকৃত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ নামের কর্নারটি পরিদর্শন করেন। ডুয়েটের ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’টি মূলত বঙ্গবন্ধুর জীবন, দর্শন, রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রাম, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদির উপর জীবনীগ্রন্থ, গবেষণা-আলোচনাধর্মী গ্রন্থসহ নানা ধরনের গ্রন্থ নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্নার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আকরামুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ আলম, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক এবং স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. সাহাব উদ্দিন। অনুষ্ঠানে লাইব্রেরির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মো. আবু আউয়াল সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, অফিস প্রধান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি)
পাবিপ্রবিতে দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামন থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও তথ্যকেন্দ্র গিয়ে শেষ হয়। র্যালি শেষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত গ্রন্থাগারিক মো. হাফিজুর রহমান মোল্লার সভাপত্বিতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপচার্য ড. এস এম মোস্তফা কামাল খান, কোষাধ্যক্ষ ড. কে এম সালাহ উদ্দীন, রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্মসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক,কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের আধার। শুধু গ্রন্থাগার দিবসেই গ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তেই গ্রন্থাগারের গুরুত্ব রয়েছে।
সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও তথ্যকেন্দ্রের পাশে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)
পবিপ্রবিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৪ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সকাল ১০টায় ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।
পরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দ্বিতীয় তলায় ডিজিটাল রিসোর্স একসেস সেন্টারের উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। এছাড়াও কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে গ্রন্থাগারিক পঙ্কজ কুমারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, আন্তর্জাতিক গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, জ্ঞান চর্চা ও নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরকে নিয়মিত গ্রন্থাগারে যেতে হবে এবং গ্রন্থাগারের জ্ঞান ভাণ্ডার সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)
‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি’- প্রতিপাদ্যে ইবিতে পালিত হয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে এসে শেষ হয়।
সেখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে এবং উপ-গ্রন্থাগারিক মো. আব্দুল আজিজের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, প্রাধ্যক্ষ, বিভাগের সভাপতি প্রমুখ। এ সময় ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আমাদের গ্রন্থাগারটি সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার। এটিকে স্মার্ট গ্রন্থাগারে পরিণত করতে হবে। এক সময় গ্রন্থাগারে বই পড়ুয়াদের ভীড় থাকতো। নতুন প্রজন্ম গ্রন্থাগারে এসে বই পড়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আজকের এ দিনে আসুন আমরা গ্রন্থাগারে বই পড়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)
সিকৃবিতে বেলা সাড়ে ১২টায় দিবসটি উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে টিএসসির সামনে এসে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিশ্বিবিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা।
শোভাযাত্রা শেষে গ্রন্থাগারিক সুবীর কুমার পালের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান প্রমুখ।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
চুয়েটের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। লাইব্রেরিয়ান মো. আব্দুর খালেক সরকারের সভাপতিত্বে ও ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মোহা. নাসিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন, মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফেকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান এবং ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানের শুরুতে লাইব্রেরির স্মার্ট ব্যবস্থাপনা ও সামগ্রিক কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকে প্রতি বছরই ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উদযাপিত হয়ে থাকে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারগুলোতে পাঁচ দিনব্যাপী রচনা, চিত্রাঙ্কন ও বইপাঠসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, কবি নজরুল ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি, বাংলাদেশ গ্রন্থাগারিক ও তথ্যায়নবিদ সমিতি, বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতি, বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির পেশাজীবী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একযোগে দিবসটি পালন করেছে।
চট্টগ্রামেও দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।