
খুলনার পাইকগাছার নার্সারি গুলোতে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে,নানা জাতের,নানা রং বেরঙের ফুল যেটি ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে এবং বেশ বিক্রি ও হচ্ছে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আবার অনেকে বাড়ির আঙিনায় ফুলবাগান তৈরি করতে এ সকল নার্সারি থেকে ফুলের চারা ক্রয় করছেন।বাহারী ফুলের হাসিতে জ্বলজ্বল করছে নার্সারির ক্ষেতগুলো।ফুল চাষে লাভবান হচ্ছেন নার্সারি মালিকগণ।
ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক,শ্রদ্ধা নিবেদন, অভ্যর্থনা,একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা বহিঃপ্রকাশ করতে আমরা ফুল দিয়ে থাকি।তাই ফুলফুল বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে একদিকে সৌন্দর্য অপরদিকে আর্থিক স্বচ্ছলতা দুটোই পাওয়া সম্ভব।শীত মৌসুম ফুল চাষের উপযুক্ত সময়।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর নার্সারী জন্য দেশ খ্যাত। গদাইপুর এলাকা থেকে ফলদ,বনজ ও ঔষধী গাছের চারা ট্রাক,পরিবহন ও অনালাইনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরবরাহ করা হয়।
উপজেলায় প্রায় চার শতাধিক নার্সারীতে রয়েছে রং-বেরংয়ের নানা ফুল।নয়ন তারা,ডালিয়া,জিনিয়া, কসমস,চন্দ্রমল্লিকা,ইকরা গাধা, সেলসোলিয়া,পুতলিকা,সূর্যমুখি ইন্ডিয়ান গোলাপ,কালার গোলাপ, জারবেরা,গ্লাডিওলাস,রজনীগন্ধা ফুলসহ দৃষ্টিনন্দন সব ফুল।প্রতিবছর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি-মার্চ পযর্ন্ত কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায় ফুল চাষিদের। ক্ষেতে গাছসহ ফুল জারবেরা ২০ টাকা,গ্লাডিওলাস,গোলাপ,নয়নতারা, সেলসোলিয়া, পুর্তলিকা ১৫ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা ৩০,ইন্ডিয়ান গোলাপ, কালার গোলাপ ৪০ টাকা,ডালিয়া ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফুল প্রেমীরা বাড়িতে ও ছাদে ফুলের গাছ লাগাতে চারা ক্রয় করে থাকেন।তাছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,সরকারি-বেসরকারি অফিসে ফুলের বাগান করতে এসব নার্সারী থেকে ফুলের চারা সংগ্রহ করে থাকেন।