
জামালপুরের মেলান্দহে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপজেলার চরপলিশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কমলা বেগম বাদী (৫০) হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। কমলা বেগম ওই এলাকার হাজী হযরত আলীর স্ত্রী।
অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার টগু মন্ডলের ছেলে মোঃ ময়ছন ( ৩২ ), মোঃ জিয়া (৩৪), নজরুল ইসলাম (৪০), নুরুল ইসলাম (৬০) নজরুলের ছেলে মোঃ নোমান ( ২৬) নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোনাহার ( ৩৫ ) ও লালচানঁ (৩০)।
অভিযোগের বাদী কমলা বেগম জানান, আসামীদের সাথে জমাজমি নিয়া আমাদের পূর্ব থেকে ঝগড়া বিবাদ চলছে ।সেই শত্রুতার জের ধরে সোমবার সকালে অভিযুক্তগন দেশীয় ধারালো অস্ত্র রাম দা , লাঠি লোহার রড , ফালা নিয়ে বেআইনী জনতাবদ্ধে আমাদের বসত ঘরের ভিতর প্রবেশ করে। আমাদের ঘর বাড়ী ও আসবাবপত্র বাইরাইয়া ভাংচুর করে । ঐ সময় আমি ও আমার স্বামী মোঃ হযরত আলী আসামীগনকে বাধা দিলে আসামী মোঃ নজরুল ইসলাম হুকুম দেয় যে , ওদেরকে জীবনে শেষ করিয়া ফেল । হুকুম পাওয়া মাত্রই অন্যান্য আসামীগন আমাকে ও আমার স্বামী হযরত আলী , চাচাত দেবর মোঃ মুল্লুককে এলোপাথারি ভাবে চর , থাপ্পর , কিল , ঘুষি দেয়। লাঠি , লোহার রড দ্বারা বাইরাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে । আসামী মোঃ ময়ছন হত্যার উদ্দেশ্যে তার দুই হাত দিয়া আমার কন্ঠনালী চাপিয়া ধরে শ্বাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করে । আসামীগন আমার বসত ঘর থেকে নগদ- ২,০০০০০ / – টাকা সহ স্বর্ণলংকার ও জমির দলিল চুরি করে নিয়ে যায় । গন্ড গুলের শব্দ শুনিয়া আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে আসামীগন আমাদেরকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে চলে যায় ।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার জন্য গেলে তারা জানায় আমারদের মেরেয় তারা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। আমাদের একজন গুরতর আহত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।