
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের মিয়ানমার অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘাত কোনভাবেই থামছেনা।
সংঘাত মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হলেও ঘুমধুমের তুমব্রু, পশ্চিমকুল, ভাজাবনিয়া, বাইশপাড়ী সহ স্পর্শকাতর সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমারের ঘাঁটি ও চৌকি দখলকে কেন্দ্র করে মিয়ানমার আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর লড়াইয়ে গুলি, মর্টার শেল এসে পড়ছে এপারের বসতবাড়ি ও ধান্য জমিতে।
গত ১ মাস ধরে মিয়ানমারের চলমান সংঘাতে ঘুমধুমের তুমব্রুর বসতবাড়িতে গুলি, মর্টারশেল ও বোমার খোলস উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
৩ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) দুপুরের দিকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে ঘুমধুমের তুমব্রু উত্তর পাড়ায় সিএনজি’র সামনের আয়নাতে একটি ছোঁড়া গুলি এসে আঘাত হানে। এতে গাড়ির আয়না ভেঙে গেলেও কোন হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন তুমব্রু উত্তর পাড়ার মোহাম্মদ আনুর ছেলে সিএনজি চালক আবু তাহের। ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি নাম্বার (কক্সবাজার-খ ১২-০০০২)।
মিয়ানমারের অভ্যন্তরিণ সংঘাতে সীমান্তে বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দারা রয়েছে চরম আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায়! সীমান্তের কাছাকাছি ফসলি জমিতে যেতে পারছেনা কৃষকরা, ফলে চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে আপাতত। সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থানরত শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার কমেছে ৫০ শতাংশ। দিনের বেশিরভাগ সময় দোকানপাট বন্ধ রাখছে অনেকেই।
সীমান্তের এমন পরিস্থিতিতে বিজিবি ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃংখলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন।