
ডেস্ক রিপোর্ট : শুরু হলো ২ দিনব্যাপী জাতীয় কবিতা উৎসব ২০২৪। অনলাইনে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ। আয়োজকরা বলছেন, কবিতার ৩৬তম এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ৫ শতাধিক দেশি-বিদেশি কবি।
‘যুদ্ধ সহে না কবিতা’ এই প্রতিপাদ্যে সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের পাশে শুরু হয় জাতীয় কবিতা উৎসব। এসময় প্যালেস্টাইনে ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যাসহ সব গণহত্যার প্রতিবাদ করেন উপস্থিত কবিরা।
অয়োজনে কবিরা দাবী করেন, কবিতা কন্ঠে গণহত্যার জবাব দেয়া এমন কি রুখেও দেয়া সম্ভব। বিদেশি কবিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলছেন, বাংলাদেশের এই কবিতা উৎসব পৃথিবী জয় করতে চলেছে।
জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তারিক সুজাত বলেন, ‘বিকেল বেলায় আমাদের আরেকটি অধিবেশন আছে। সন্ধ্যায় আছে আমাদের দেশের খ্যাতিমান আবৃত্তিকারদের আবৃত্তি নিয়ে রয়েছে আবৃত্তির অনুষ্ঠান। আগামীকাল সকাল ১১ টায় রয়েছে যুদ্ধ সহে না কবিতা’ এই প্রতিপদ্যের উপর আলোচনা সভা।’
জাতীয় কবিতা উৎসবে অংশগ্রহণ করা কবিদের মধ্যে রয়েছেন ফিলিপাইনের কবি লিও টিটো এল.আসান, ভারতীয় কবি বিভাস রায় চৌধুরী, নেপালের কবি বিধান আচার্যসহ অন্যান্য দেশি–বিদেশি কবিরা। শুধু কবি নয় এই আয়োজনে অংশ নেন সবস্থরের মানুষ। তাদের দাবী কবিতা সার্বজনীন।
আয়োজকরা বলছেন, সৈরাচর বিরোধী গণ মানুষের কাব্যিক প্রতিবাদ হিসেবে ১৯৮৭ সালে শুরু হয়েছিল জাতীয় কবিতা পরিষদ। আর জাতীয় কবিতা উৎসব এখন হয়ে উঠেছে দেশি বিদেশি কবিদের অন্যতম অনুপ্ররণা। দুই দিনব্যাপি এই অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত ২০০ কবি জাতীয় কবিতা উৎসবের মঞ্চে তাদের কবিতা পাঠ করবেন। শুক্রবার পুরস্কার প্রাপ্ত কবিদের নাম ঘোষণার মাধ্যমে শেষ হবে দুই দিনব্যাপী জাতীয় কবিতা উৎসব।