
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে যুবলীগ নেতা মামুন শেখের উপর হামলার অভিযোগে ছাত্রলীগের ৯ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার তিন দিন পর বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে আহত যুবলীগ নেতার মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে তার ছেলেকে যারা কুপিয়েছে ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের ৯ নেতা কর্মীদের মধ্যে ইন্দুরকানী থানায় বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার আসামীরা হলেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ নাঈম খান (২৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মোঃ কাইউম কাজী (২৪), সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান শামীম(২৫), সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাব্বী হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহীন (২০), ইন্দুরকানী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শাকিব (২৩), ভান্ডারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম (৩৫), সাবেক জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মিল্লাত ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাজুকে আসামী করা হয়েছে।
আহত মামুন শেখ পিরোজপুর শহরের পাল পাড়ার শাহ আলম শেখের ছেলে। তিনি পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
হামলার বিষয়ে পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক জানান, আহত মামুন শেখের উপর হামলার সাথে জড়িত কেউ যাদি ছাত্রলীগের হয়, তাদের দায়িত্ব জেলা ছাত্রলীগ নিবেনা। আইন সবার জন্য সমান। সুতরাং, সবাই আইনের আওতায় আসবে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান তালুকাদার জানান, যুবলীগ নেতা মামুন শেখের আহতের ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে ৯ হামলাকারীর বিরুদ্ধে বুধবার মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। তিনি জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে যারা হামলায় জড়িত ছিল তাদের কে আসামী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতে যুবলীগ নেতা মামুন ইন্দুরকানী থেকে পিরোজপুরে আসার পথে শহিদ শেখ ফজলুল হক মনি সেতুর নিকটে পোঁছালে একদল দুর্বৃত্তের হামলায় মারাত্মক আহত হন। দুর্বৃত্তরা তার পায়ের রগ ও হাতের দুটি আঙ্গুল কেটে দেয়।