
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ১নং ইউনিয়নের নাম পাহাড়ি দুর্গম জনপদ ঈদগড়। এই পাহাড়ি জনপদ ইউনিয়ন টি জেলা শহর থেকে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার দুরত্ব। ঈদগড়ের উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব সীমান্ত দিক দিয়ে বিস্তৃত ভাবে রয়েছে পার্বত্য বান্দরবান জেলার পাহাড়ি বনাঞ্চল দূর্গম জনপদ। যেটি বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত অঞ্চল। আর এই অঞ্চল দিয়ে অনেকটাই নিরাপদে পাচার হতে থাকে নানান ধরনের চোরাচালান দ্রব্যাদি।
তাছাড়া প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে, সরকারি রাজস্ব বিহীন মায়ানমারের অবৈধ গরু। সেই সাথে পাচার হয় মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র। যা ইতিপূর্বে পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে অপরাধীরা মাদক, অস্ত্রসহ আটক হয়। আর তারই নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈদগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মনির উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ঈদগড় বদরমোকাম জামিয়া ফেরদৌসী দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ৩০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ৮ টায় তল্লাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সিএনজি গাড়িতে করে অভিনব কায়দায় নিয়ে যাওয়া বিদেশি ২০ বোতল মদসহ এর সাথে জড়িত দুই যুবককে আটক করে পুলিশ। আটককৃত বিদেশি মদের বাজার মূল্য ধরা হয়েছে ৪০,০০০ হাজার টাকা। এইগুলো পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমারের থেকে আনা।
এদিকে আটককৃতরা হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নতুন তিতার পাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হাশেমের পুত্র রিদুয়ান হোসেন হৃদয় (১৮), ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের ক্যায়জের বিল এলাকার মুফিজুল আলমের ছেলে সিএনজি চালক শহিদুল ইসলাম (২০)।
অভিযানের নেতৃত্বদানকারী পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনির উদ্দিন জানান, আটককৃতরা এই বিদেশি মদ গুলো গর্জনিয়া ইউনিয়ন থেকে পাচার করতে ঈদগাঁও নিয়ে আসার পথে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করে রামু থানায় সোর্পদ করেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে আদালতে হস্তান্তর করা হবে।