
শফিকুল ইসলাম, রায়পুরা প্রতিনিধি :
নরসিংদী রায়পুরা উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত তৃতীয় বৃহত্তর দূর্গম চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খাঁন রাসেল।এই দূর্গম চরাঞ্চল ইউনিয়নটি উপজেলার আওতাধীন ৮নং ইউনিয়ন পরিষদ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম রায়পুরা থানার আওতাধীন।এটি জাতীয় সংসদের ২০৩ নং নির্বাচনী এলাকা নরসিংদী-৫ এর অংশ। নিজের জীবনের সুখ-শান্তি তুচ্ছ করে ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছেন।চলমান রয়েছে অনেক প্রকল্প। নতুন করে আরো বেশ কিছু প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও খাঁন পরিবার থেকে সর্ব প্রথম চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোমরাজ খাঁন নির্বাচিত যাত্রা শুরু হয়(১৯৫৯-১৯৬৪),পরর্বতীতে পূর্বপুরুষরা খাঁন পরিবার থেকে পর্যায়ক্রমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত আমানতখাঁন(১৯৮৪-১৯৮৯),রেজাউল করিম খাঁন(বাচ্চু)(১৯৯৮-২০০৩)।দীর্ঘ প্রায় ০৮ বছর পর ২০১১ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে আমি রিয়াজ মোর্শেদ খাঁন রাসেল জয়লাভ করি ও খাঁন পরিবারের ঐতিহ্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করি এবং ২০১৬ সালে ১নং ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জন্য খাঁন পরিবারের নিজস্ব জমি দান করে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি শুভ উদ্বোধন করি। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নৌকা প্রতীককে ফেল করাও হয়।২০২১ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার প্রতীকে আমি পূনরায় বিপুল ভোটে জয়লাভ করি বর্তমানে জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান হিসেবে শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালন করছি।বর্তমানে ০৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ১৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত ইউনিয়নে আয়তন ২,২৫৭ বর্গমাইল।ইউনিয়নে প্রায় ৩৪ হাজার লোকের বসবাস।এর মধ্যে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ইউনিয়নবাসীর নাগরিক সুবিধা নিয়ে পরিষদ কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খাঁন রাসেল জানান, বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৪র্থবার দেশ পরিচালনার সুযোগে গ্রাম ও শহরের অবকাঠামো উন্নয়নে নরসিংদী জেলার মধ্যে রায়পুরা উপজেলার একটি অন্যতম তৃতীয় বৃহত্তর দূর্গম চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, গুরুত্বপূণ ইউনিয়ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প,বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তা,কালভার্ট, বাজারসেড, সড়ক বাতি, পাবলিক টয়লেটসহ বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামো কাজ শতভাগ সম্পন্ন হওয়ায় ইউনিয়নবাসী উন্নয়নের সুফল সহ নাগরিক সুবিধা ভোগ করছে।
তিনি আরো জানান, তার দায়িত্ব পালনে বিগত ০৫ বছর ও পূনরায় নির্বাচিত হওয়ার পর বর্তমান ০২ বছরসহ আমার আমলে মোট ০৭ বছরে প্রায় ১২ কিলোমিটার পাকা রাস্তা,১০০ টি সড়ক বাতি,নদী বাঁধ নির্মাণসহ স্মাট ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে দূর্গম চরাঞ্চল এলাকার নানান উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে।
শ্রীনগর ইউনিয়নটি দুই দিক দিয়ে মেঘনা নদী বেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে অধিকাংশ দূর্গম চরাঞ্চল এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত থাকে। এতে রাস্তা ঘাটসহ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।অধিকাংশ সড়কে সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ইউনিয়নবাসীদের যথাযথ ভাবে নাগরিক সেবা প্রদান করতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মানবিক জনতার ও জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খাঁন রাসেল।
জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খাঁন রাসেল আরও জানান। ‘বিগত ০৫ বছর পূর্ব চেয়ারম্যান আমলে যা হয়নি বর্তমান সরকারের আমল বছর এখন প্রতি বছরে উন্নয়ন হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে রূপরেখা দিয়েছেন সে লক্ষ্যে কাজ করছি। যার উন্নয়নের সুফল দূর্গম চরঞ্চালের ইউনিয়নবাসী সবাই এখন ভোগ করছেন। ‘দায়িত্ব পালনের দুই ট্রামে রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।
দূর্গম চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছি।উল্লেখযোগ্য,এই ইউনিয়নে দর্শনীয় স্থান হচ্ছে পান্থশালা।রায়পুরা উপজেলা পরিষদ থেকে রিকশা অটো বা সিএনজি যোগে পান্থশালা যাওয়া যায়।মেঘনা নদী পাড়ে পান্থশালা হচ্ছে উপজেলার অন্যতম পর্যটক স্থান।পর্যটকরা নৌকা বা স্পিডবোট দিয়ে মেঘনা নদীর পাড়ের বাঘাইকান্দি,শ্রীনগর,রংপুর গ্রামে বেড়াতে আসে/ভ্রমণ করে।পান্থশালায় ফেরিঘাটও আছে।সবসময় পান্থশালা পর্যটকদের তীর থাকে।অনেক দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা পান্থশালা-ফেরিঘাট এ বেড়াতে আসে।তাছাড়াও বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।
জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘উন্নয়নমূলক কাজে আমার আন্তরিকতার কমতি নেই। রাত দিন মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে যাচ্ছি। যার কারণে আমার জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে বিরুদ্ধীদলের দালাল কতিপয় আওয়ামী লীগ পরিচয়ধারী বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ একটি মহল সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত করতে আমার পেছনে লেগে আছে। তাদের ষড়যন্ত্রের কারণে দূর্গম চরাঞ্চল এলাকার কোন উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত হলে দলীয় ভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার লিখিতভাবে সুপারিশ পাঠানো হবে।
স্বার্থন্বেষীদের কারণে ইউনিয়ন পরিষদের কোন উন্নয়ন থেমে থাকবে না।দূর্গম চরাঞ্চল ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া সহ ইউনিয়নবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে আমার জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তাছাড়াও জননন্দিত সফল চেয়ারম্যান আরোও বলেন, চেষ্টা করে যাচ্ছি, শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে পরিচালিত করতে। ইউনিয়নবাসীর নাগরিক সুবিধা, করোনাকালীন মানুষে পাশা থাকাসহ সবসময় বঞ্চিত, অসহায় মানুষের অভিযোগসহ কোন অনিয়মের অভিযোগ পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করে থাকি।
সর্বোপরি শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ মানন্নোয়নে আমার এবং আমার পরিষদের সকল সদস্যরা, গ্রামপুলিশসহ,সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের আন্তরিকতার কমতি নেই। রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি। শুধু মানুষের ভালোবাসা পেতেই এই আমার ছুটে চলা। জনগণই আমার শক্তি।