
রাজশাহীর বাগমারায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পুকুর মালিকের নিকট চাঁদাদাবি নিতে গিয়ে গণধুলাই এর শিকার যুবক। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে জনতার হাত থেকে চাঁদাবাজ যুবককে উদ্ধার করে ঝিকরা পুলিশ ফাঁড়িকে নেয়া হয়েছে জানা গেছে। উদ্ধারকৃত যুবকের নাম শহিদ। সে ঝিকরা ইউনিয়নের শেনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝিকরা ইউনিয়নের কুদাপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে শিবলু বেশ কয়েক দিন থেকে ঝাড়গ্রামের এক পুকুর মালিক আমজাদ হোসেনের নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চাঁদাদাবি করে আসছে। মোটা অংকের চাঁদা না দেয়া হলে পুকুর খনন করতে দিবেন না বলে হুমকী প্রদান করে। চাঁদা না দেয়ায় শুক্রবার আবারও ফোন করে তারা। সে সময় পুকুর খনন কাজে ব্যবহৃত ভেকু ঠিকদার লিটন এর সাথে শহিদ ও শিবলুর গালিগালাজের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর শিবলু এবং শহিদ সহ ৬টি মটরসাইকেলে ১২-১৪ জন মদাখালি বাজারে উপস্থিত হয়। চাঁদা না দেয়ায় মদাখালি বাজারে শহিদ মটরসাইকেল থেকে নেমে জনগণের সামনে ভেকুর ঠিকাদার লিটনকে পড়থাপ্পড় মারে। এ সময় বাজারের লোকজন শহিদকে ধরে ফেলে মারপিট করে অবরুদ্ধ করে রাখে। ওই সময় তার সাথে থাকা শিবলু সহ অন্যরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মদাখালি বাজারে গিয়ে শহিদকে উদ্ধার করে। অন্যরা পালিয়ে যাওয়ায় আর কাউকে ধরতে পারেনি বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ঝিকরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা খবর পাই মদাখালি বাজারে জনতার সাথে শহিদের ধস্তাধস্তি ঘটনা ঘটেছে। পরে সেখানে গিয়ে শহিদকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করি। কি বিষয় নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে তা বিস্তারিত জানিনা। উভয় পক্ষকে নিয়ে মিমাংসার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।